ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এক বাড়িতে চার নারীকে ধর্ষণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এক বাড়ির চার নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ১২ ডিসেম্বর রাতে এই ঘটনা ঘটে। সেদিন বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য ছিল না। ধর্ষণের শিকার চার নারীর তিনজন জা। অন্য নারী তাঁদের আত্মীয়। তিনি বেড়াতে এসেছিলেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জানালার গ্রিল কেটে সেদিন চার ডাকাত বাড়িতে ঢুকেছিল।

ধর্ষণের পর ডাকাতেরা টাকা, স্বর্ণালঙ্কারও নিয়ে গেছে। ঘটনার পাঁচ দিন পর গত রোববার (১৭ ডিসেম্বর) কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হয় গতকাল সোমবার। মামলা করতে সময় লাগার পেছনে পুলিশের অসহযোগিতা ছিল বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, ঘটনার পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা কর্ণফুলী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁদের পটিয়া থানায় পাঠায়। পটিয়া থানার পুলিশ তাঁদের আবার কর্ণফুলী থানায় পাঠায়। পরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে পুলিশ সক্রিয় হয়। মামলা নেওয়ার পর এ ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজন গ্রেপ্তারও হয়েছে।

রোববার রাতে কর্ণফুলী থানার পুলিশ মোহাম্মদ সুমন ওরফে আবু (২৩) নামের এক যুবক এবং গতকাল সোমবার কালু নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল সকালে ধর্ষণের শিকার চার নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম বলেন, ১২ ডিসেম্বর রাত প্রায় একটার দিকে বাড়ির একটি কক্ষের জানলার গ্রিল কেটে চার ডাকাত ভেতরে প্রবেশ করে। তখন ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা মা, তাঁর তিন ছেলের স্ত্রী ও বেড়াতে আসা এক আত্মীয়া। ঘরে ঢুকে ডাকাতেরা প্রথমে ১৫ ভরি স্বর্ণ, টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে।

বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য দেখতে না পেয়ে চার নারীকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে ডাকাতেরা। দিদারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের শিকার নারীদের এলাকার সন্দেহভাজন কয়েকজন তরুণের ছবি দেখানো হয়। এর মধ্যে দুজনকে তাঁরা শনাক্ত করেন। ওই দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মামলা নিতে দেরি করার কারণ জানতে চাইলে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুল মোস্তফা বলেন, প্রথমে তাঁরা ধর্ষণের কথা বলেননি। তাঁরা গ্রামের নামও ভুল বলেছিলেন। সেটি পটিয়া থানায় পড়ায় তাঁদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২-১ দিন পর এসে তাঁরা ঠিক নাম বলেন। তাই কর্ণফুলী থানায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এক বাড়িতে চার নারীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় ০২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এক বাড়ির চার নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ১২ ডিসেম্বর রাতে এই ঘটনা ঘটে। সেদিন বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য ছিল না। ধর্ষণের শিকার চার নারীর তিনজন জা। অন্য নারী তাঁদের আত্মীয়। তিনি বেড়াতে এসেছিলেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জানালার গ্রিল কেটে সেদিন চার ডাকাত বাড়িতে ঢুকেছিল।

ধর্ষণের পর ডাকাতেরা টাকা, স্বর্ণালঙ্কারও নিয়ে গেছে। ঘটনার পাঁচ দিন পর গত রোববার (১৭ ডিসেম্বর) কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হয় গতকাল সোমবার। মামলা করতে সময় লাগার পেছনে পুলিশের অসহযোগিতা ছিল বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, ঘটনার পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা কর্ণফুলী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁদের পটিয়া থানায় পাঠায়। পটিয়া থানার পুলিশ তাঁদের আবার কর্ণফুলী থানায় পাঠায়। পরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে পুলিশ সক্রিয় হয়। মামলা নেওয়ার পর এ ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজন গ্রেপ্তারও হয়েছে।

রোববার রাতে কর্ণফুলী থানার পুলিশ মোহাম্মদ সুমন ওরফে আবু (২৩) নামের এক যুবক এবং গতকাল সোমবার কালু নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল সকালে ধর্ষণের শিকার চার নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম বলেন, ১২ ডিসেম্বর রাত প্রায় একটার দিকে বাড়ির একটি কক্ষের জানলার গ্রিল কেটে চার ডাকাত ভেতরে প্রবেশ করে। তখন ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা মা, তাঁর তিন ছেলের স্ত্রী ও বেড়াতে আসা এক আত্মীয়া। ঘরে ঢুকে ডাকাতেরা প্রথমে ১৫ ভরি স্বর্ণ, টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে।

বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য দেখতে না পেয়ে চার নারীকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে ডাকাতেরা। দিদারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের শিকার নারীদের এলাকার সন্দেহভাজন কয়েকজন তরুণের ছবি দেখানো হয়। এর মধ্যে দুজনকে তাঁরা শনাক্ত করেন। ওই দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মামলা নিতে দেরি করার কারণ জানতে চাইলে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুল মোস্তফা বলেন, প্রথমে তাঁরা ধর্ষণের কথা বলেননি। তাঁরা গ্রামের নামও ভুল বলেছিলেন। সেটি পটিয়া থানায় পড়ায় তাঁদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২-১ দিন পর এসে তাঁরা ঠিক নাম বলেন। তাই কর্ণফুলী থানায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে।