ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক আত্মঘাতী হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ করে টাকা দেওয়া হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবার প্রতি এক লাখ করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের কুলখানির ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামের ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়।

এর মধ্যে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ অমুসলিমের জন্য মেজবানের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে দুপুর ১টার পর প্রচণ্ড ভিড় তৈরি হয়। একপর্যায়ে হুড়োহুড়ি কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগরীর মুসাফিরখানা মসজিদে রোববার আসরের পর দোয়া এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিন নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে আলোচনাসভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

অন্যদিকে সোমবার মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষের জন্য কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ করে টাকা দেওয়া হবে

আপডেট সময় ০৩:৩০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবার প্রতি এক লাখ করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের কুলখানির ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামের ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়।

এর মধ্যে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ অমুসলিমের জন্য মেজবানের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে দুপুর ১টার পর প্রচণ্ড ভিড় তৈরি হয়। একপর্যায়ে হুড়োহুড়ি কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগরীর মুসাফিরখানা মসজিদে রোববার আসরের পর দোয়া এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিন নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে আলোচনাসভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

অন্যদিকে সোমবার মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষের জন্য কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়।