ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

ইউএনও জেলহাজতে : ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিক সালমনকে কারাহাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্বরত ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তিনজন কনস্টেবল রয়েছেন।

গত ১৯ জুলাই এই পুলিশ সদস্যরা বরগুনা সদরের ইউএনও তারিক সালমনকে মানহানির মামলায় জামিন না দিয়ে হাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউএনওকে হাতকড়া পরিয়ে টেনেহিঁচড়ে আদালত থেকে হাজতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এস এম রুহুল আমিন অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।

শনিবার ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের নির্দেশেও তেমন কোনো কিছুর উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে বিএমপির সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, প্রশাসনিক কারণে ওই ছয়জনকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত ৭ জুন ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু। মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্কিৃত করে ছাপা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি দেখে মর্মাহত হয়ে তিনি পাঁচ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন।

ওই মামলায় বিবাদী ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে সমন দেওয়া হয়। গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির হন ইউএনও। তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন জেলার মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মো. আলী হোসাইন। প্রায় তিন ঘণ্টা কোর্টহাজতে থাকার পর দুপুর ২টায় আবার তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন একই বিচারক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

ইউএনও জেলহাজতে : ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১০:২৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিক সালমনকে কারাহাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্বরত ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তিনজন কনস্টেবল রয়েছেন।

গত ১৯ জুলাই এই পুলিশ সদস্যরা বরগুনা সদরের ইউএনও তারিক সালমনকে মানহানির মামলায় জামিন না দিয়ে হাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউএনওকে হাতকড়া পরিয়ে টেনেহিঁচড়ে আদালত থেকে হাজতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এস এম রুহুল আমিন অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।

শনিবার ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের নির্দেশেও তেমন কোনো কিছুর উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে বিএমপির সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, প্রশাসনিক কারণে ওই ছয়জনকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত ৭ জুন ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু। মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্কিৃত করে ছাপা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি দেখে মর্মাহত হয়ে তিনি পাঁচ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন।

ওই মামলায় বিবাদী ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে সমন দেওয়া হয়। গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির হন ইউএনও। তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন জেলার মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মো. আলী হোসাইন। প্রায় তিন ঘণ্টা কোর্টহাজতে থাকার পর দুপুর ২টায় আবার তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন একই বিচারক।