ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ইউএনও জেলহাজতে : ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিক সালমনকে কারাহাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্বরত ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তিনজন কনস্টেবল রয়েছেন।

গত ১৯ জুলাই এই পুলিশ সদস্যরা বরগুনা সদরের ইউএনও তারিক সালমনকে মানহানির মামলায় জামিন না দিয়ে হাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউএনওকে হাতকড়া পরিয়ে টেনেহিঁচড়ে আদালত থেকে হাজতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এস এম রুহুল আমিন অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।

শনিবার ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের নির্দেশেও তেমন কোনো কিছুর উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে বিএমপির সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, প্রশাসনিক কারণে ওই ছয়জনকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত ৭ জুন ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু। মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্কিৃত করে ছাপা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি দেখে মর্মাহত হয়ে তিনি পাঁচ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন।

ওই মামলায় বিবাদী ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে সমন দেওয়া হয়। গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির হন ইউএনও। তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন জেলার মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মো. আলী হোসাইন। প্রায় তিন ঘণ্টা কোর্টহাজতে থাকার পর দুপুর ২টায় আবার তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন একই বিচারক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইউএনও জেলহাজতে : ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১০:২৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিক সালমনকে কারাহাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্বরত ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তিনজন কনস্টেবল রয়েছেন।

গত ১৯ জুলাই এই পুলিশ সদস্যরা বরগুনা সদরের ইউএনও তারিক সালমনকে মানহানির মামলায় জামিন না দিয়ে হাজতে পাঠানোর সময় আদালতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউএনওকে হাতকড়া পরিয়ে টেনেহিঁচড়ে আদালত থেকে হাজতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এস এম রুহুল আমিন অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।

শনিবার ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের নির্দেশেও তেমন কোনো কিছুর উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে বিএমপির সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, প্রশাসনিক কারণে ওই ছয়জনকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত ৭ জুন ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু। মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্কিৃত করে ছাপা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি দেখে মর্মাহত হয়ে তিনি পাঁচ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন।

ওই মামলায় বিবাদী ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে সমন দেওয়া হয়। গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে আদালতে হাজির হন ইউএনও। তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন জেলার মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মো. আলী হোসাইন। প্রায় তিন ঘণ্টা কোর্টহাজতে থাকার পর দুপুর ২টায় আবার তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন একই বিচারক।