ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার গত ২ মাসে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে : প্রেস সচিব সংসদ বয়কটে ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র, অধিকার বঞ্চিত জনগণ : স্পিকার হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি হাদি হত্যা : অস্ত্র সরবরাহকারী মাজেদুলের দায় স্বীকার ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর ক্যাপ্টেনস কার্ড নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে তাপসের পোস্ট, পরে ‘ডিলিট’ ‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’: স্পিকার হাফিজ ন্যাটো সম্পূর্ণ ব্যর্থ: ট্রাম্প সরকারের দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ এক অবিস্মরণীয় অর্জন: মাহদী আমিন কৃষকের বরাদ্দ খেয়ে ফেলতো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা : কৃষিমন্ত্রী

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে ৭১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কারণে ৭১ দশমিক ১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা হয়রানি শিকার হচ্ছে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ সেবাগ্রহীতা ঘুষ দিচ্ছে এবং ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ সেবাগ্রহীতার কাজের ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দশমিক ৬ শতাংশ সেবাগ্রহীতার অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পাসপোর্ট সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। বরিশালের সদরের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির মো. আলী হোসেন এ গবেষণা করেন।

এ গবেষণায় বলা হয়, বরিশাল পাসপোর্ট অফিসের সেবার নির্ধারিত ফির বাইরে গড়ে প্রতি সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে ১ হাজার ৮৫৪ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্ট আবেদকারীদের মধ্যে ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে গড়ে ৮৯৬ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। এমনকি পুলিশ প্রতিবেদন প্রণয়নে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) আবেদনপত্রে অযথা ত্রুটি খুজে বের করার চেষ্টা বা ভয় দেখিয়ে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। এখানে সঠিক সময় পাসপোর্ট বিতরণ করা হচ্ছে না। সেক্ষত্রে গড়ে ৮ দিন দেরি হচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে আসা সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৫৬ দশমিক ৩ শতাংশকে দালালের সহযোগিতা নিতে হচ্ছে। আর ওই দালালেরা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং পুলিশের বিশেষ শাখার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্রকে শাস্তির আওতায় আনা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করাসহ ১৩ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সনাকের সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী জাহিদ হোসেন, সদস্য অধ্যাপক এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মানবেন্দ্র বটব্যাল, অধ্যাপক শাহ সাজেদা, নূরজাহান বেগম, সাইফুর রহমান মিরন, শুভঙ্কর চক্রবর্তী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে ৭১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার

আপডেট সময় ০২:৫৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কারণে ৭১ দশমিক ১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা হয়রানি শিকার হচ্ছে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ সেবাগ্রহীতা ঘুষ দিচ্ছে এবং ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ সেবাগ্রহীতার কাজের ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দশমিক ৬ শতাংশ সেবাগ্রহীতার অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পাসপোর্ট সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। বরিশালের সদরের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির মো. আলী হোসেন এ গবেষণা করেন।

এ গবেষণায় বলা হয়, বরিশাল পাসপোর্ট অফিসের সেবার নির্ধারিত ফির বাইরে গড়ে প্রতি সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে ১ হাজার ৮৫৪ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্ট আবেদকারীদের মধ্যে ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে গড়ে ৮৯৬ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। এমনকি পুলিশ প্রতিবেদন প্রণয়নে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) আবেদনপত্রে অযথা ত্রুটি খুজে বের করার চেষ্টা বা ভয় দেখিয়ে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। এখানে সঠিক সময় পাসপোর্ট বিতরণ করা হচ্ছে না। সেক্ষত্রে গড়ে ৮ দিন দেরি হচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে আসা সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৫৬ দশমিক ৩ শতাংশকে দালালের সহযোগিতা নিতে হচ্ছে। আর ওই দালালেরা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং পুলিশের বিশেষ শাখার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।

বরিশাল পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্রকে শাস্তির আওতায় আনা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করাসহ ১৩ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সনাকের সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী জাহিদ হোসেন, সদস্য অধ্যাপক এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মানবেন্দ্র বটব্যাল, অধ্যাপক শাহ সাজেদা, নূরজাহান বেগম, সাইফুর রহমান মিরন, শুভঙ্কর চক্রবর্তী।