ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

কচুয়ায় ইমাম হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শীলাস্থান গ্রামে মসজিদের ইমাম হত্যা মামলায় মো. রনি সরকার (২৪) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত রনি সরকার কচুয়া শীলাস্থান গ্রামের সরকার বাড়ির শাহজাহান ক্বারীর ছেলে।

হত্যার শিকার ইমাম সাহেব আলী একই বাড়ির ওমেদ আলী সরকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় মসজিদে ইমামতি করতেন এবং মক্তবের শিক্ষক ছিলেন। সাহেব আলী সম্পর্কে আসামির জেঠাত ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় সাহেব আলী স্থানীয় মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় শিশুদেরকে পাঠদান করছিলেন। ওই সময় মাদ্রাসায় প্রবেশ করে রনি সরকার তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাহেব আলীর পেটে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই সাহেব আলীর মৃত্যু হয়।

শিশুরা চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওইদিনই সাহেব আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম রনি সরকারকে আসামি করে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের আত্মীয় হারুনুর রশিদ বলেন, সাহেব আলীর কন্যা হাসিনা আক্তারকে রনি সরকার বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। সম্পর্কে ভাতিজি হওয়ার কারণে তিনি এ প্রস্তাবে রাজি হননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রনি এ ঘটনা ঘটায়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্লাহ দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ১৪জনের মধ্যে ১৩জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামাল উদ্দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

কচুয়ায় ইমাম হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শীলাস্থান গ্রামে মসজিদের ইমাম হত্যা মামলায় মো. রনি সরকার (২৪) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত রনি সরকার কচুয়া শীলাস্থান গ্রামের সরকার বাড়ির শাহজাহান ক্বারীর ছেলে।

হত্যার শিকার ইমাম সাহেব আলী একই বাড়ির ওমেদ আলী সরকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় মসজিদে ইমামতি করতেন এবং মক্তবের শিক্ষক ছিলেন। সাহেব আলী সম্পর্কে আসামির জেঠাত ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় সাহেব আলী স্থানীয় মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় শিশুদেরকে পাঠদান করছিলেন। ওই সময় মাদ্রাসায় প্রবেশ করে রনি সরকার তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাহেব আলীর পেটে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই সাহেব আলীর মৃত্যু হয়।

শিশুরা চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওইদিনই সাহেব আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম রনি সরকারকে আসামি করে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের আত্মীয় হারুনুর রশিদ বলেন, সাহেব আলীর কন্যা হাসিনা আক্তারকে রনি সরকার বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। সম্পর্কে ভাতিজি হওয়ার কারণে তিনি এ প্রস্তাবে রাজি হননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রনি এ ঘটনা ঘটায়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্লাহ দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ১৪জনের মধ্যে ১৩জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামাল উদ্দিন।