ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কচুয়ায় ইমাম হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শীলাস্থান গ্রামে মসজিদের ইমাম হত্যা মামলায় মো. রনি সরকার (২৪) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত রনি সরকার কচুয়া শীলাস্থান গ্রামের সরকার বাড়ির শাহজাহান ক্বারীর ছেলে।

হত্যার শিকার ইমাম সাহেব আলী একই বাড়ির ওমেদ আলী সরকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় মসজিদে ইমামতি করতেন এবং মক্তবের শিক্ষক ছিলেন। সাহেব আলী সম্পর্কে আসামির জেঠাত ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় সাহেব আলী স্থানীয় মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় শিশুদেরকে পাঠদান করছিলেন। ওই সময় মাদ্রাসায় প্রবেশ করে রনি সরকার তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাহেব আলীর পেটে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই সাহেব আলীর মৃত্যু হয়।

শিশুরা চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওইদিনই সাহেব আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম রনি সরকারকে আসামি করে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের আত্মীয় হারুনুর রশিদ বলেন, সাহেব আলীর কন্যা হাসিনা আক্তারকে রনি সরকার বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। সম্পর্কে ভাতিজি হওয়ার কারণে তিনি এ প্রস্তাবে রাজি হননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রনি এ ঘটনা ঘটায়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্লাহ দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ১৪জনের মধ্যে ১৩জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামাল উদ্দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কচুয়ায় ইমাম হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শীলাস্থান গ্রামে মসজিদের ইমাম হত্যা মামলায় মো. রনি সরকার (২৪) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত রনি সরকার কচুয়া শীলাস্থান গ্রামের সরকার বাড়ির শাহজাহান ক্বারীর ছেলে।

হত্যার শিকার ইমাম সাহেব আলী একই বাড়ির ওমেদ আলী সরকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় মসজিদে ইমামতি করতেন এবং মক্তবের শিক্ষক ছিলেন। সাহেব আলী সম্পর্কে আসামির জেঠাত ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় সাহেব আলী স্থানীয় মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় শিশুদেরকে পাঠদান করছিলেন। ওই সময় মাদ্রাসায় প্রবেশ করে রনি সরকার তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাহেব আলীর পেটে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই সাহেব আলীর মৃত্যু হয়।

শিশুরা চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওইদিনই সাহেব আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম রনি সরকারকে আসামি করে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের আত্মীয় হারুনুর রশিদ বলেন, সাহেব আলীর কন্যা হাসিনা আক্তারকে রনি সরকার বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। সম্পর্কে ভাতিজি হওয়ার কারণে তিনি এ প্রস্তাবে রাজি হননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রনি এ ঘটনা ঘটায়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্লাহ দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ১৪জনের মধ্যে ১৩জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামাল উদ্দিন।