ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

জিয়া পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি করতেই তাহেরকে হত্যা করেন: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, কর্নেল তাহেরের হত্যাকাণ্ড একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। জিয়া আর কর্নেল তাহেরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল। জিয়া তাঁর পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি পরিষ্কার করতেই তাহেরকে হত্যা করেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাহেরের হত্যাকাণ্ড জেনারেল জিয়ার ঠান্ডা মাথার একটি হত্যাকাণ্ড ছিল। তাহেরের বিচারটা প্রহসনের বিচার ছিল। সেই বিচারটি আইন অনুযায়ী হয়নি। সুতরাং কর্নেল তাহের দেশপ্রেমিক আর জিয়াউর রহমান খুনি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। আজ কর্নেল তাহেরের ফাঁসির ৪১ তম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের নেতা-কর্মীরা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল তাহেরকে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই এক সামরিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাসদের দুটি অংশ দিবসটি পালন করে। জাসদ একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনু আলোচনায় বলেন, জিয়া বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ঠেলে দিতে চেয়েছিলেন। আর তাহের বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের ধারায় পরিচালিত করার জন্য ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান করেছিলেন।

জিয়া ও তাহেরের যে বিরোধ ছিল, সে বিরোধ এখনো অবসান হয়নি মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও বিএনপি জিয়ার পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি বহন করছে। আর আমরা জাসদ, ১৪ দল তাহেরের মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি বহন করছি। পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির চির অবসান করতে হবে। রাজনীতির মাঠ থেকে রাজাকারদের বিদায় করতে হবে। রাজাকারেরা বাংলাদেশে আর কোনো দিনই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সরকারেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে, বিরোধী দলেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে। আসুন ঐক্যবদ্ধ হয়ে, বিভ্রান্ত না হয়ে পাকিস্তানপন্থীদের চিরতরে কবর দিই।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘কর্নেল তাহেরকে হত্যা করা হয়েছে ৭ ই নভেম্বরে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। আর সেই অভ্যুত্থান জেনারেল জিয়াকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।’ সভায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম, জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

জিয়া পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি করতেই তাহেরকে হত্যা করেন: ইনু

আপডেট সময় ১১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, কর্নেল তাহেরের হত্যাকাণ্ড একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। জিয়া আর কর্নেল তাহেরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল। জিয়া তাঁর পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি পরিষ্কার করতেই তাহেরকে হত্যা করেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাহেরের হত্যাকাণ্ড জেনারেল জিয়ার ঠান্ডা মাথার একটি হত্যাকাণ্ড ছিল। তাহেরের বিচারটা প্রহসনের বিচার ছিল। সেই বিচারটি আইন অনুযায়ী হয়নি। সুতরাং কর্নেল তাহের দেশপ্রেমিক আর জিয়াউর রহমান খুনি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। আজ কর্নেল তাহেরের ফাঁসির ৪১ তম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের নেতা-কর্মীরা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল তাহেরকে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই এক সামরিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাসদের দুটি অংশ দিবসটি পালন করে। জাসদ একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনু আলোচনায় বলেন, জিয়া বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ঠেলে দিতে চেয়েছিলেন। আর তাহের বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের ধারায় পরিচালিত করার জন্য ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান করেছিলেন।

জিয়া ও তাহেরের যে বিরোধ ছিল, সে বিরোধ এখনো অবসান হয়নি মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও বিএনপি জিয়ার পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি বহন করছে। আর আমরা জাসদ, ১৪ দল তাহেরের মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি বহন করছি। পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির চির অবসান করতে হবে। রাজনীতির মাঠ থেকে রাজাকারদের বিদায় করতে হবে। রাজাকারেরা বাংলাদেশে আর কোনো দিনই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সরকারেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে, বিরোধী দলেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে। আসুন ঐক্যবদ্ধ হয়ে, বিভ্রান্ত না হয়ে পাকিস্তানপন্থীদের চিরতরে কবর দিই।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘কর্নেল তাহেরকে হত্যা করা হয়েছে ৭ ই নভেম্বরে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। আর সেই অভ্যুত্থান জেনারেল জিয়াকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।’ সভায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম, জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।