ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মিয়ানমার সেনাপ্রধানের আলোচনা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। মিয়ানমার-বাংলাদেশের আলোচনায় সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের। দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর সম্মতিপত্র সই, শুক্রবার বেইজিংয়ে তাদের এই সাক্ষাৎ হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন হ্লাইং।

“বৈঠকে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, রাখাইন ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের মিয়ানমারের পক্ষে দাঁড়ানোসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে,” ফেইসবুকে পোস্ট করা বিবৃতিতে লিখেছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, মঙ্গলবার চীন সফরে যান মিয়ানমারের সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এই কয় দিন মুখ্যত চীনের সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

গত অগাস্টের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা শুরু হলে তখন থেকেই মিয়ানমারকে সমর্থন দিয়ে আসছে চীন। এই সংকট নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উঠলে তা আটকে দেয় চীন।

মিয়ানমারের ঘনিষ্ঠ মিত্র চীনই দেশটির সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী। দেশটিতে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে চীনের। রাখাইনে দমন-পীড়নের মুখে গত তিন মাসে সোয়া ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সংকটের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে। রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নকে ‘জাতিগত নিধনের’ চেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ। এই প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ঢাকা সফরে এসে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয়ভাবে এই সমস্যা সমাধানের কথা বলেন।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, এখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা পরিস্থিতি জটিল করবে বলে তারা মনে করেন। এরপর আসেম সম্মেলনে অংশ নিতে মিয়ানমার যান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তার এই সফরেই বৃহস্পতিবার দুই দেশের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে একটি সম্মতিপত্র সই হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মিয়ানমার সেনাপ্রধানের আলোচনা

আপডেট সময় ০২:২০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। মিয়ানমার-বাংলাদেশের আলোচনায় সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের। দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর সম্মতিপত্র সই, শুক্রবার বেইজিংয়ে তাদের এই সাক্ষাৎ হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন হ্লাইং।

“বৈঠকে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, রাখাইন ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের মিয়ানমারের পক্ষে দাঁড়ানোসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে,” ফেইসবুকে পোস্ট করা বিবৃতিতে লিখেছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, মঙ্গলবার চীন সফরে যান মিয়ানমারের সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এই কয় দিন মুখ্যত চীনের সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

গত অগাস্টের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা শুরু হলে তখন থেকেই মিয়ানমারকে সমর্থন দিয়ে আসছে চীন। এই সংকট নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উঠলে তা আটকে দেয় চীন।

মিয়ানমারের ঘনিষ্ঠ মিত্র চীনই দেশটির সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী। দেশটিতে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে চীনের। রাখাইনে দমন-পীড়নের মুখে গত তিন মাসে সোয়া ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সংকটের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে। রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নকে ‘জাতিগত নিধনের’ চেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ। এই প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ঢাকা সফরে এসে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয়ভাবে এই সমস্যা সমাধানের কথা বলেন।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, এখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা পরিস্থিতি জটিল করবে বলে তারা মনে করেন। এরপর আসেম সম্মেলনে অংশ নিতে মিয়ানমার যান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তার এই সফরেই বৃহস্পতিবার দুই দেশের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে একটি সম্মতিপত্র সই হয়েছে।