ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ তারেক: দুদু

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ’ বলেছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে বিদেশে অবস্থানকারী তারেক বেশি জনপ্রিয়। তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক মানববন্ধনে দুদু এই নামে সম্বোধন করেন তাদের দলের নেতাকে। বিএনপির প্রবাসী নেতার বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার এই কর্মসূচি পালন করে বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষক দল।

দুদু বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে থাকা অবস্থায় বিরোধী দল সভা সমাবেশ করতে পারত, সরকারের সমালোচনা করতে পারত কোন রকম বাধা- বিপত্তি ছিল না। সে জন্য তারেক রহমানকে আমরা বলি গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ।’ দুদু বলেন, ‘তারেক রহমান যতদিন বাংলাদেশে ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কখনও চুরি হয়নি, কোন ব্যাংকের টাকা কেউ চুরি করতে পারে নাই। তিনি যতদিন দেশে ছিলেন দেশে গুম, খুন অপহরণ হয় নাই।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই তারেক দেশে ফিরে আসবেন বলে আশাবাদী দুদু। বলেন, ‘সেই ধরনের পরিস্থিতি এই দেশের মানুষ আন্দোলর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৈরি করবে আমরা এই প্রত্যাশা করি।’

তারেক রহমানকে বিএনপির ভবিষ্যত কাণ্ডারি হিসেবে ধরেন নেতা-কর্মীরা। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে ঘুষ গ্রহণের মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি। পরের বছর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান তিনি। কিন্তু জামিনের মেয়াদ শেষেও দেশে ফেরেননি তারেক। একাধিকবার আদালতের সমনও উপেক্ষা করে সে দেশেই থাকছেন তিনি। এরই মধ্যে বিদেশে অর্থপাচারের একটি মামলায় তার সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহের আরও বেশ কিছু মামলা চলছে তার বিরুদ্ধে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও আসামি তারেক রহমান।

তবে তারেক অন্যায় ও চক্রান্তের স্বীকার বলে দাবি করেন দুদু। বলেন, এসব মামলার পরও তারেক রহমান দেশে ভীষণ জনপ্রিয়। প্রধানমন্ত্রীর আসনে তিনি যত ভোট পাবেন, তারেক নির্বাচনে দাঁড়ালে তার আসনে তার চেয় বেশি ভোট পাবেন তিনি। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি জানিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘রেফারি হবেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আর আমাদেরকে নির্বাচন করতে হবে? এমন নির্বাচন বাংলাদেশে আর যদি কেউ স্বপ্নে দেখে থাকেন সেটি হবে না।’

দুদু বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সময় মতই হবে। আগামী নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে। সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণও করবে। কিন্তু শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বে আবারও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন হবে এটা যদি আওয়ামী লীগ ভুলে যায় তাহলে ভাল হবে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি নাসির হায়দারের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক সাদির সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন মাষ্টার, আবু নাসের মো. রহমত উল্লাহ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ তারেক: দুদু

আপডেট সময় ০৩:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ’ বলেছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে বিদেশে অবস্থানকারী তারেক বেশি জনপ্রিয়। তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক মানববন্ধনে দুদু এই নামে সম্বোধন করেন তাদের দলের নেতাকে। বিএনপির প্রবাসী নেতার বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার এই কর্মসূচি পালন করে বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষক দল।

দুদু বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে থাকা অবস্থায় বিরোধী দল সভা সমাবেশ করতে পারত, সরকারের সমালোচনা করতে পারত কোন রকম বাধা- বিপত্তি ছিল না। সে জন্য তারেক রহমানকে আমরা বলি গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার আশীর্বাদ।’ দুদু বলেন, ‘তারেক রহমান যতদিন বাংলাদেশে ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কখনও চুরি হয়নি, কোন ব্যাংকের টাকা কেউ চুরি করতে পারে নাই। তিনি যতদিন দেশে ছিলেন দেশে গুম, খুন অপহরণ হয় নাই।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই তারেক দেশে ফিরে আসবেন বলে আশাবাদী দুদু। বলেন, ‘সেই ধরনের পরিস্থিতি এই দেশের মানুষ আন্দোলর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৈরি করবে আমরা এই প্রত্যাশা করি।’

তারেক রহমানকে বিএনপির ভবিষ্যত কাণ্ডারি হিসেবে ধরেন নেতা-কর্মীরা। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে ঘুষ গ্রহণের মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি। পরের বছর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান তিনি। কিন্তু জামিনের মেয়াদ শেষেও দেশে ফেরেননি তারেক। একাধিকবার আদালতের সমনও উপেক্ষা করে সে দেশেই থাকছেন তিনি। এরই মধ্যে বিদেশে অর্থপাচারের একটি মামলায় তার সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহের আরও বেশ কিছু মামলা চলছে তার বিরুদ্ধে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও আসামি তারেক রহমান।

তবে তারেক অন্যায় ও চক্রান্তের স্বীকার বলে দাবি করেন দুদু। বলেন, এসব মামলার পরও তারেক রহমান দেশে ভীষণ জনপ্রিয়। প্রধানমন্ত্রীর আসনে তিনি যত ভোট পাবেন, তারেক নির্বাচনে দাঁড়ালে তার আসনে তার চেয় বেশি ভোট পাবেন তিনি। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি জানিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘রেফারি হবেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আর আমাদেরকে নির্বাচন করতে হবে? এমন নির্বাচন বাংলাদেশে আর যদি কেউ স্বপ্নে দেখে থাকেন সেটি হবে না।’

দুদু বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সময় মতই হবে। আগামী নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে। সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণও করবে। কিন্তু শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বে আবারও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন হবে এটা যদি আওয়ামী লীগ ভুলে যায় তাহলে ভাল হবে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি নাসির হায়দারের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক সাদির সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন মাষ্টার, আবু নাসের মো. রহমত উল্লাহ প্রমুখ।