ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

৫২.৬০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৫২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় চার হাজার ২৫০ কোটি টাকা।গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির বোর্ডসভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে চলমান অবকাঠামো প্রকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় হবে। এই অর্থের মধ্যে পিপিপির আওতায় মধ্যম ও বড় ধরনের প্রকল্পে ৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে।

আর দুই কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহায়তায়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এসব জ্বালানি প্লান্ট হবে। এ ছাড়া সাত লাখ ৫০ হাজার ডলার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

এডিবির প্রধান আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ পিটার মারো বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। এই উন্নয়নকে এখন টেকসই করার প্রয়োজন। কেননা অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। যেগুলো বেসরকারি খাত পূরণ করতে পারে।

এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতিতে এডিপি বলছে, বাংলাদেশ ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৬.৩ শতাংশে স্থিতিশীল গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা জুলাই ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের অবস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির ৭ শতাংশ থেকে গড় ৭.৪ শতাংশ হারে পৌঁছাতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশকে উচ্চমধ্যম আয়ের স্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এই লক্ষ্যগুলোকে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিনিয়োগে ২০১২ সালের ২৯ শতাংশ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। এ জন্য শুধু অবকাঠামোতে বছরে জিডিপি ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে। যা অর্থের আকারে ৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫২.৬০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

আপডেট সময় ১১:২৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৫২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় চার হাজার ২৫০ কোটি টাকা।গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির বোর্ডসভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে চলমান অবকাঠামো প্রকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় হবে। এই অর্থের মধ্যে পিপিপির আওতায় মধ্যম ও বড় ধরনের প্রকল্পে ৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে।

আর দুই কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় হবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহায়তায়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এসব জ্বালানি প্লান্ট হবে। এ ছাড়া সাত লাখ ৫০ হাজার ডলার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

এডিবির প্রধান আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ পিটার মারো বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। এই উন্নয়নকে এখন টেকসই করার প্রয়োজন। কেননা অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। যেগুলো বেসরকারি খাত পূরণ করতে পারে।

এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিবৃতিতে এডিপি বলছে, বাংলাদেশ ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৬.৩ শতাংশে স্থিতিশীল গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা জুলাই ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের অবস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির ৭ শতাংশ থেকে গড় ৭.৪ শতাংশ হারে পৌঁছাতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশকে উচ্চমধ্যম আয়ের স্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এই লক্ষ্যগুলোকে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিনিয়োগে ২০১২ সালের ২৯ শতাংশ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। এ জন্য শুধু অবকাঠামোতে বছরে জিডিপি ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে। যা অর্থের আকারে ৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।