ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বন্ধ কারখানা চালু ও বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত

মিয়ানমারে গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে গণহত্যার ‘জোরালো প্রমাণ’ পাওয়া গেছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিমদের গলা কেটে ও জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। বুধবার হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফোর্টিফাই রাইটস এর এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে গত বছরের ৯ অক্টোবর ও ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে এবং চলতি বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারে বেসামরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘ব্যাপক ও একের পর এক হামলার’ প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

‘তারা আমাদের সবাইকে হত্যা করার চেষ্টা করে’ শীর্ষক ৩০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি রোহিঙ্গাদের ওপর নিষ্ঠুর হামলার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ওই হামলার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া দুই শরও বেশি রোহিঙ্গার সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা কর্মীদের সাক্ষাতকারও নেয়া হয়েছে।

কোন কোন বিশ্বনেতা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই দমন অভিযানকে ইতোমধ্যেই ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ফোর্টিফাই রাইটস ও হলোকাস্ট মিউজিয়াম এর সংগৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা গেছে ‘মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক দুষ্কৃতকারীরা মানবতা বিরোধী অপরাধ ও জাতিগত নিধনের’ মতো অপরাধ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ গত বছরের অক্টোবর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করার পর এখন পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যের প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ রক্ষার্থে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এএফপি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

মিয়ানমারে গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে গণহত্যার ‘জোরালো প্রমাণ’ পাওয়া গেছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিমদের গলা কেটে ও জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। বুধবার হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফোর্টিফাই রাইটস এর এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে গত বছরের ৯ অক্টোবর ও ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে এবং চলতি বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারে বেসামরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘ব্যাপক ও একের পর এক হামলার’ প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

‘তারা আমাদের সবাইকে হত্যা করার চেষ্টা করে’ শীর্ষক ৩০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি রোহিঙ্গাদের ওপর নিষ্ঠুর হামলার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ওই হামলার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া দুই শরও বেশি রোহিঙ্গার সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা কর্মীদের সাক্ষাতকারও নেয়া হয়েছে।

কোন কোন বিশ্বনেতা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই দমন অভিযানকে ইতোমধ্যেই ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ফোর্টিফাই রাইটস ও হলোকাস্ট মিউজিয়াম এর সংগৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা গেছে ‘মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক দুষ্কৃতকারীরা মানবতা বিরোধী অপরাধ ও জাতিগত নিধনের’ মতো অপরাধ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ গত বছরের অক্টোবর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করার পর এখন পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যের প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ রক্ষার্থে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এএফপি।