ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চুরি করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেই ৫ বছরের জেল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাসা-বাড়ির জন্য বিদ্যুৎ চুরি করলে ৩ বছর এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করলে ৫ বছরের শাস্তির বিধান রেখে বিদ্যুৎ আইন ২০১৭ বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিলটি উত্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পরে বিলটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। বিলটি উত্থাপনের আগে জাতীয় পার্টির এমপি ফখরুল ইমাম বিলটির কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে বিলটিকে কালাকানুন হিসেবে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, বিলে দেশের মালিক জনগণকে বিদ্যুৎ চুরির দায়ে কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু একই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের জন্য শুধু অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এটা আইনের চোখে বৈষম্যমূলক।

এছাড়া বিলে অননুমোদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তল্লাশি চালাতে সহকারি প্রকৌশলীকে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ ও তল্লাশি চালানোর ক্ষমতা প্রদানকে তিনি কালাকানুন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার স্বার্থে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার সাধন এবং মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার জন্য দ্য ইলেক্ট্রিসিটি অ্যাক্ট ১৯১০ রহিত করে, তা সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে নতুন আইন আকারে বাংলা ভাষায় বিদ্যুৎ আইন ২০১৭ শীর্ষক বিলটি প্রণীত হয়েছে।

বিলের অপরাধ ও দণ্ড অধ্যায়ে বলা হয়েছে, কোনো বাসা-বাড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া কোনো শিল্প ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করলে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুরি করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেই ৫ বছরের জেল

আপডেট সময় ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাসা-বাড়ির জন্য বিদ্যুৎ চুরি করলে ৩ বছর এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করলে ৫ বছরের শাস্তির বিধান রেখে বিদ্যুৎ আইন ২০১৭ বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিলটি উত্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পরে বিলটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। বিলটি উত্থাপনের আগে জাতীয় পার্টির এমপি ফখরুল ইমাম বিলটির কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে বিলটিকে কালাকানুন হিসেবে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, বিলে দেশের মালিক জনগণকে বিদ্যুৎ চুরির দায়ে কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু একই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের জন্য শুধু অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এটা আইনের চোখে বৈষম্যমূলক।

এছাড়া বিলে অননুমোদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তল্লাশি চালাতে সহকারি প্রকৌশলীকে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ ও তল্লাশি চালানোর ক্ষমতা প্রদানকে তিনি কালাকানুন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার স্বার্থে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার সাধন এবং মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার জন্য দ্য ইলেক্ট্রিসিটি অ্যাক্ট ১৯১০ রহিত করে, তা সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে নতুন আইন আকারে বাংলা ভাষায় বিদ্যুৎ আইন ২০১৭ শীর্ষক বিলটি প্রণীত হয়েছে।

বিলের অপরাধ ও দণ্ড অধ্যায়ে বলা হয়েছে, কোনো বাসা-বাড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া কোনো শিল্প ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করলে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।