ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

প্রথম স্ত্রী’র সহায়তায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রথম স্ত্রী’র সহায়তায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারপিট করে হত্যার দায়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাইরুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড তৎসহ ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত।

একই মামলার অপর ধারায় তাঁকে আরও ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড,৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ডেও দন্ডিত করা হয়েছে। উভয় সাজা একত্রে কার্যকর হবে। হত্যায় সহায়তার দায়ে তাঁর প্রথম স্ত্রী জেলেখা ওরফে জুলেখাকে (৪০) ৩ বছর সশ্রম কারাদন্ড,৫হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। রোববার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ জিয়াউর রহমান আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত খাইরুল ইসলাম জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামের মৃত.শের মোহম্মদের ছেলে। মামলার বিবরণে অতিরিক্ত সরকারী কৌসুলী আঞ্জুমান আরা জানান, খাইরুল ভালবেসে ধর্মান্তরিত করে দ্বিতীয় বিয়ে করে পালানী ওরফে কুলসুমকে (৩৮)। কিন্তু বাড়িতে তাঁকে প্রায়ই অত্যাচার করা হত। ২০১৫ সালের ৯ জানুয়ারী ভোরে বেগপুর গ্রামের একটি আমগাছে কুলসুমের ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার হয়।

লাশের দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। আগের দিন ৮ জানুয়ারী সন্ধ্যায় বাড়িতে কলহের পর কুলসুম নিঁেখাজ হয় বলে গ্রামবাসীকে জানায় খাইরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী জুলেখা। ঘটনায় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে খাইরুল প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি ৮নং ওয়ার্ড সদস্য আইনুল হক গোমস্তাপুর থানায় ওই দিনই হত্যা মামলা করেন।

(মামলা নং-৪ তাং-০৯/০১/১৭,জিআর নং-৪/১৫,সেশন নং-৪৯৬/১৫)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোমস্তাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল খাইরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী জুলেখাকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রোববার ওই দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় প্রদান করেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আ্যাড.মো.ইসমাইল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

প্রথম স্ত্রী’র সহায়তায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ১০:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রথম স্ত্রী’র সহায়তায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারপিট করে হত্যার দায়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাইরুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড তৎসহ ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত।

একই মামলার অপর ধারায় তাঁকে আরও ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড,৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ডেও দন্ডিত করা হয়েছে। উভয় সাজা একত্রে কার্যকর হবে। হত্যায় সহায়তার দায়ে তাঁর প্রথম স্ত্রী জেলেখা ওরফে জুলেখাকে (৪০) ৩ বছর সশ্রম কারাদন্ড,৫হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। রোববার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ জিয়াউর রহমান আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত খাইরুল ইসলাম জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামের মৃত.শের মোহম্মদের ছেলে। মামলার বিবরণে অতিরিক্ত সরকারী কৌসুলী আঞ্জুমান আরা জানান, খাইরুল ভালবেসে ধর্মান্তরিত করে দ্বিতীয় বিয়ে করে পালানী ওরফে কুলসুমকে (৩৮)। কিন্তু বাড়িতে তাঁকে প্রায়ই অত্যাচার করা হত। ২০১৫ সালের ৯ জানুয়ারী ভোরে বেগপুর গ্রামের একটি আমগাছে কুলসুমের ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার হয়।

লাশের দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। আগের দিন ৮ জানুয়ারী সন্ধ্যায় বাড়িতে কলহের পর কুলসুম নিঁেখাজ হয় বলে গ্রামবাসীকে জানায় খাইরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী জুলেখা। ঘটনায় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে খাইরুল প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি ৮নং ওয়ার্ড সদস্য আইনুল হক গোমস্তাপুর থানায় ওই দিনই হত্যা মামলা করেন।

(মামলা নং-৪ তাং-০৯/০১/১৭,জিআর নং-৪/১৫,সেশন নং-৪৯৬/১৫)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোমস্তাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল খাইরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী জুলেখাকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রোববার ওই দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় প্রদান করেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আ্যাড.মো.ইসমাইল।