ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে দেড় কোটির বেশি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দেড় কোটির বেশি লোক সুফল পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের মঙ্গলবার বলেন, ‘প্রকল্পটি দারিদ্র্য বিমোচনে মুখ্য ভূমিকা রাখছে এবং দরিদ্র লোকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলছে।’

প্রকল্পের অধীনে সারাদেশে ৬২ হাজার ৪০০ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি (ভিডিএ) গঠিত হয়েছে। এই সমিতি থেকে ৩০ লাখ ৬১ হাজার পরিবার সুফল পাচ্ছে। তাদের বার্ষিক আয় গড়ে প্রায় ১১ হাজার টাকা করে বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আরো বলেন, প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে, তহবিল গঠনসহ ই- ফাইন্যান্সিয়াল অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা।

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আকবর হোসেন বাসসকে বলেন, সরকার তহবিল গঠন এবং খামার গড়ে তোলার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার ছোট পারিবারিক খামার গঠন, প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সারাদেশে তাদেরকে একত্রিত হবার সুযোগ সৃষ্টি, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা অর্জন, উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা দিচ্ছে।

২০১০-২০১১ সালে ৪০,৫২৭টি গ্রামের জন্য ১৪,৯২০ মিলিয়ন টাকার প্রকল্পটি শুরু হয় এবং ২০১৩ সালে ৩১,৬৩০ মিলিয়ন টাকায় সংশোধিত প্রকল্পটি চূড়ান্ত হয়।

তিনি বলেন, সমিতির সদস্যরা স্বাবলম্বী হয়েছে এবং স্বাধীনভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি জানান, প্রকল্প এলাকায় দারিদ্র্যের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে ৩ শতাংশ এবং স্বাবলম্বী গৃহকর্তার সংখ্যা বেড়ে ২৩ শতাংশ থেকে ৩১ শতাংশ হয়েছে। ভিডিএ সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ ১১৯৩.৪৫ কোটি টাকা এবং প্রকল্পের অধিনে মঞ্জুরি হিসাবে সরকার দিয়েছে ৯৭৮.৩৯ কোটি টাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে দেড় কোটির বেশি

আপডেট সময় ০৭:৩৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দেড় কোটির বেশি লোক সুফল পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের মঙ্গলবার বলেন, ‘প্রকল্পটি দারিদ্র্য বিমোচনে মুখ্য ভূমিকা রাখছে এবং দরিদ্র লোকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলছে।’

প্রকল্পের অধীনে সারাদেশে ৬২ হাজার ৪০০ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি (ভিডিএ) গঠিত হয়েছে। এই সমিতি থেকে ৩০ লাখ ৬১ হাজার পরিবার সুফল পাচ্ছে। তাদের বার্ষিক আয় গড়ে প্রায় ১১ হাজার টাকা করে বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আরো বলেন, প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে, তহবিল গঠনসহ ই- ফাইন্যান্সিয়াল অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা।

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আকবর হোসেন বাসসকে বলেন, সরকার তহবিল গঠন এবং খামার গড়ে তোলার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার ছোট পারিবারিক খামার গঠন, প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সারাদেশে তাদেরকে একত্রিত হবার সুযোগ সৃষ্টি, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা অর্জন, উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা দিচ্ছে।

২০১০-২০১১ সালে ৪০,৫২৭টি গ্রামের জন্য ১৪,৯২০ মিলিয়ন টাকার প্রকল্পটি শুরু হয় এবং ২০১৩ সালে ৩১,৬৩০ মিলিয়ন টাকায় সংশোধিত প্রকল্পটি চূড়ান্ত হয়।

তিনি বলেন, সমিতির সদস্যরা স্বাবলম্বী হয়েছে এবং স্বাধীনভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি জানান, প্রকল্প এলাকায় দারিদ্র্যের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে ৩ শতাংশ এবং স্বাবলম্বী গৃহকর্তার সংখ্যা বেড়ে ২৩ শতাংশ থেকে ৩১ শতাংশ হয়েছে। ভিডিএ সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ ১১৯৩.৪৫ কোটি টাকা এবং প্রকল্পের অধিনে মঞ্জুরি হিসাবে সরকার দিয়েছে ৯৭৮.৩৯ কোটি টাকা।