ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টায় ১১ জনের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

File Photo

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১১ জনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় একজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তাদের এ সাজা দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১১ জনকে দুটি ধারায় মোট ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতের বিচারক ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ১৫ অক্টোবর শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা ও ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক আইনে মামলার রায়ের জন্য আজকের দিন (২৯ অক্টোবর) ধার্য করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসায়ই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার ১৩ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হুমায়ুন কবির (পলাতক), হুমাউন কবির , মো. শাজাহান বালু, লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ (পলাতক), জাফর আহম্মদ ওরফে মানিক (পলাতক)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টায় ১১ জনের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০১:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১১ জনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় একজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তাদের এ সাজা দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১১ জনকে দুটি ধারায় মোট ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতের বিচারক ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ১৫ অক্টোবর শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা ও ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক আইনে মামলার রায়ের জন্য আজকের দিন (২৯ অক্টোবর) ধার্য করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসায়ই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার ১৩ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হুমায়ুন কবির (পলাতক), হুমাউন কবির , মো. শাজাহান বালু, লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ (পলাতক), জাফর আহম্মদ ওরফে মানিক (পলাতক)।