ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

বিদ্যমান আইনী কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন সম্ভব: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যমান আইনী কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন সম্ভব। নির্বাচনের সময় পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা এ কথা বলেন।

বর্তমান আইনী কাঠামোতে সেনা মোতায়েন কোন প্রক্রিয়ায় হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সেনা নিয়োগ কীভাবে হবে, তাদের দায়িত্ব কী হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি। এ বিষয়ে বলার সময় এখনও আসেনি। নির্বাচন আসুক তখন পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাবে। তবে বিদ্যমান কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন করা যাবে।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অংশীদারদের সাথে সংলাপের উদ্যোগ নেয় ইসি। এরই অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ২৪ আগস্ট থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৪০টি রাজনৈতিক দল, ২২ অক্টোবর নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারীনেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় তিনমাস ব্যাপী সংলাপ গত মঙ্গলবার শেষ হয়। সংলাপের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন, সংলাপের মধ্য দিয়ে মূল্যবান ও দিকনির্দেশনামূলক ৪ শতাধিক সুপারিশ ও পরামর্শ পাওয়া গেছে। আগামী নভেম্বরে এসব সুপারিশ ও পরামর্শ সংকলন করে ডিসেম্বরে বই আকারে প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, গত তিন মাসব্যাপী রাজনৈতিক দলসহ ৪৫টি সংগঠনের সঙ্গে কমিশন সংলাপ করেছে। সংলাপে যেসব সুপারিশ এসেছে এগুলো তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- সাংবিধানিক সংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার ও নির্বাচনকালে সংসদ ভেঙ্গে দেয়া। আইন বিষয়ক যেমন আরপিও সংশোধন ও সীমানা নির্ধারণ আইন তৈরি করা। তৃতীয়ত নির্বাচন কমিশনের করণীয় বিষয় যেমন নির্বাচনে সেনা নিয়োগ, আইনের সঠিক প্রয়োগ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা। কমিশন বসে এগুলো এ্যাসেসমেন্ট করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংলাপে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাব এসেছে, ইসি এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবে কী না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, কমিশন এমন উদ্যোগ নেবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ উদ্যোগ নেয়ার কোনো ইচ্ছা ইসির নেই। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমাধান হওয়া উচিত। এ উদ্যোগে আমরা যেতে চাই না।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোন কর্মকর্তা আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান রয়েছে। অর্থাৎ কারো অপরাধ প্রমাণ হলে তাদের শাস্তি পেতে হবে।

নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, ‘এটা সাংবিধানিক বিষয়। সংবিধান পরিবর্তন করা কমিশনের পক্ষে সম্ভব না। এটা রাজনৈতিক বিষয়। এ দেশেতো বহুমুখী নির্বাচন হয়েছে। যখন যে সরকার এসে যে নির্বাচন করার দায়িত্ব কমিশনকে দিয়েছে, সেভাবে নির্বাচন করেছে। অর্থাৎ সংবিধানের আলোকে সরকার যে আইন তৈরি করে দেয়, ইসি সেভাবেই নির্বাচন করে। সেই আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। সাংবিধান মেনে ইসিকে চলতে হয়।

সিইসি নূরুল হুদা বলেন, এখন পর্যন্ত সংবিধানে যেভাবে আছে, সেভাবে নির্বাচন হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আশা করি বিএনপিসহ সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কমিশন আন্তরিকভাবে চায় বিএনপিসহ সব দল নির্বাচনে আসুক। কারণ বিএনপি একটি বড় দল। আমরা বিশ্বাস করি, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের কর্মকর্তারাও নির্বাচনে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য এবং তারা তা করে আসছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরনের সহযোগিতা নেয় ইসি।

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পর্যন্ত ২-৩ মাস সময় লাগে। ওই সময়ে ১২ থেকে ১৩ লাখ জনবল দরকার হয়। এত জনবল স্থায়ীভাবে ইসির নেই। নির্বাচন কমিশনের এত জনবল সারা বছর পোষা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। তাই নির্বাচনের সময়ে রিকুজিশন দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারি, সেনা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা নির্বাচনে ইসিকে সহায়তা করে। তাদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ থাকে ও থাকবে। সিইসি আরও বলেন, আরপিওতে একটি অধ্যায় রয়েছে, যেখানে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়ার বিধান রয়েছে। এই কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে আইনের ব্যতয় হবে সেখানে আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান কার্যকর করা হবে।

নূরুল হুদা বলেন, সংলাপে নারীদের ভূমিকার বিরুদ্ধে যেসব প্রস্তাব এসেছে তা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না। তিনি বলেন, সীমানা নির্ধারণের আইন প্রণয়নের কাজ করছে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রির নতুন সময় ঘোষণা

বিদ্যমান আইনী কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন সম্ভব: সিইসি

আপডেট সময় ০৬:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যমান আইনী কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন সম্ভব। নির্বাচনের সময় পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা এ কথা বলেন।

বর্তমান আইনী কাঠামোতে সেনা মোতায়েন কোন প্রক্রিয়ায় হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সেনা নিয়োগ কীভাবে হবে, তাদের দায়িত্ব কী হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি। এ বিষয়ে বলার সময় এখনও আসেনি। নির্বাচন আসুক তখন পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাবে। তবে বিদ্যমান কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন করা যাবে।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অংশীদারদের সাথে সংলাপের উদ্যোগ নেয় ইসি। এরই অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ২৪ আগস্ট থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৪০টি রাজনৈতিক দল, ২২ অক্টোবর নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারীনেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় তিনমাস ব্যাপী সংলাপ গত মঙ্গলবার শেষ হয়। সংলাপের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন, সংলাপের মধ্য দিয়ে মূল্যবান ও দিকনির্দেশনামূলক ৪ শতাধিক সুপারিশ ও পরামর্শ পাওয়া গেছে। আগামী নভেম্বরে এসব সুপারিশ ও পরামর্শ সংকলন করে ডিসেম্বরে বই আকারে প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, গত তিন মাসব্যাপী রাজনৈতিক দলসহ ৪৫টি সংগঠনের সঙ্গে কমিশন সংলাপ করেছে। সংলাপে যেসব সুপারিশ এসেছে এগুলো তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- সাংবিধানিক সংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার ও নির্বাচনকালে সংসদ ভেঙ্গে দেয়া। আইন বিষয়ক যেমন আরপিও সংশোধন ও সীমানা নির্ধারণ আইন তৈরি করা। তৃতীয়ত নির্বাচন কমিশনের করণীয় বিষয় যেমন নির্বাচনে সেনা নিয়োগ, আইনের সঠিক প্রয়োগ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা। কমিশন বসে এগুলো এ্যাসেসমেন্ট করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংলাপে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাব এসেছে, ইসি এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবে কী না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, কমিশন এমন উদ্যোগ নেবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ উদ্যোগ নেয়ার কোনো ইচ্ছা ইসির নেই। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমাধান হওয়া উচিত। এ উদ্যোগে আমরা যেতে চাই না।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোন কর্মকর্তা আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান রয়েছে। অর্থাৎ কারো অপরাধ প্রমাণ হলে তাদের শাস্তি পেতে হবে।

নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, ‘এটা সাংবিধানিক বিষয়। সংবিধান পরিবর্তন করা কমিশনের পক্ষে সম্ভব না। এটা রাজনৈতিক বিষয়। এ দেশেতো বহুমুখী নির্বাচন হয়েছে। যখন যে সরকার এসে যে নির্বাচন করার দায়িত্ব কমিশনকে দিয়েছে, সেভাবে নির্বাচন করেছে। অর্থাৎ সংবিধানের আলোকে সরকার যে আইন তৈরি করে দেয়, ইসি সেভাবেই নির্বাচন করে। সেই আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। সাংবিধান মেনে ইসিকে চলতে হয়।

সিইসি নূরুল হুদা বলেন, এখন পর্যন্ত সংবিধানে যেভাবে আছে, সেভাবে নির্বাচন হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আশা করি বিএনপিসহ সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কমিশন আন্তরিকভাবে চায় বিএনপিসহ সব দল নির্বাচনে আসুক। কারণ বিএনপি একটি বড় দল। আমরা বিশ্বাস করি, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের কর্মকর্তারাও নির্বাচনে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য এবং তারা তা করে আসছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরনের সহযোগিতা নেয় ইসি।

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পর্যন্ত ২-৩ মাস সময় লাগে। ওই সময়ে ১২ থেকে ১৩ লাখ জনবল দরকার হয়। এত জনবল স্থায়ীভাবে ইসির নেই। নির্বাচন কমিশনের এত জনবল সারা বছর পোষা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। তাই নির্বাচনের সময়ে রিকুজিশন দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারি, সেনা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা নির্বাচনে ইসিকে সহায়তা করে। তাদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ থাকে ও থাকবে। সিইসি আরও বলেন, আরপিওতে একটি অধ্যায় রয়েছে, যেখানে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়ার বিধান রয়েছে। এই কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে আইনের ব্যতয় হবে সেখানে আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান কার্যকর করা হবে।

নূরুল হুদা বলেন, সংলাপে নারীদের ভূমিকার বিরুদ্ধে যেসব প্রস্তাব এসেছে তা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না। তিনি বলেন, সীমানা নির্ধারণের আইন প্রণয়নের কাজ করছে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।