ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টি-টোয়েন্টিতে ভারতের নতুন বিশ্বরেকর্ড

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বড় সংগ্রহ গড়া যেন ভারতের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতারই নতুন অধ্যায় লিখল তারা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে। হারারেতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২১৯ রান তোলে ভারত, আর সেই সঙ্গে গড়ে ফেলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির নতুন বিশ্বরেকর্ড।

২০২৬ সালে এটি ভারতের নবম ২০০ বা তার বেশি রানের ইনিংস। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টির ইতিহাসে কোনো দল এক ক্যালেন্ডার বছরে এতবার ২০০-এর গণ্ডি স্পর্শ করতে পারেনি। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ডটিও ছিল ভারতেরই। ২০২৪ সালে তারা নয়বার ২০০+ সংগ্রহ গড়েছিল। তবে এবার মাত্র ২৩ ম্যাচ খেলেই সেই মাইলফলক স্পর্শ করে নতুন রেকর্ড নিজেদের দখলে নিল তারা।

তবে বছর শেষ হতে এখনও অনেক সময় বাকি। সামনে রয়েছে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সিরিজ ও টুর্নামেন্ট। ফলে বছরের শেষে এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। ২০২৪ ও ২০২৬—দুই বছরই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছর। আগের আসরে রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত ২৬ ম্যাচে নয়বার ২০০ বা তার বেশি রান তুলেছিল। এবার বিশ্বকাপের পর নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। সূর্যকুমারের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। অধিনায়ক বদলালেও ভারতের ব্যাটিং দর্শনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকে ভারত। যদিও দুই ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ও অভিষেক শর্মাকে দ্রুত হারায় তারা, এরপর ইনিংসের হাল ধরেন ঈশান কিষান। মাত্র ৪৪ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও শেষদিকে ঝড় তোলেন তিলক বর্মা। মাত্র ২৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৬০ রান করে ভারতের সংগ্রহ ২১৯ রানে নিয়ে যান তিনি। রিংকু সিং ও শিবম দুবেও শেষ ওভারগুলোতে প্রয়োজনীয় গতি যোগ করেন।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ১৯ বলে ৩২ রান করে দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। একসময় ৩৪ রানেই দুই উইকেট হারানোর পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা।

ভারতের বোলাররাও ব্যাটারদের মতোই ছিলেন কার্যকর। অভিষেক শর্মা বল হাতে তিনটি উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের শেষ প্রতিরোধও ভেঙে দেন। যশ ঠাকুর ও প্রিন্স যাদব নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া রবি বিষ্ণোই, শিবম দুবে ও তিলক বর্মাও একটি করে উইকেট শিকার করেন। ফলে ১৭.৫ ওভারেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

৯০ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেয় ভারত। একই সঙ্গে মাঠের জয়ের পাশাপাশি পরিসংখ্যানের পাতাতেও নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টি-টোয়েন্টিতে ভারতের নতুন বিশ্বরেকর্ড

আপডেট সময় ১২:৩০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বড় সংগ্রহ গড়া যেন ভারতের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতারই নতুন অধ্যায় লিখল তারা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে। হারারেতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২১৯ রান তোলে ভারত, আর সেই সঙ্গে গড়ে ফেলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির নতুন বিশ্বরেকর্ড।

২০২৬ সালে এটি ভারতের নবম ২০০ বা তার বেশি রানের ইনিংস। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টির ইতিহাসে কোনো দল এক ক্যালেন্ডার বছরে এতবার ২০০-এর গণ্ডি স্পর্শ করতে পারেনি। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ডটিও ছিল ভারতেরই। ২০২৪ সালে তারা নয়বার ২০০+ সংগ্রহ গড়েছিল। তবে এবার মাত্র ২৩ ম্যাচ খেলেই সেই মাইলফলক স্পর্শ করে নতুন রেকর্ড নিজেদের দখলে নিল তারা।

তবে বছর শেষ হতে এখনও অনেক সময় বাকি। সামনে রয়েছে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সিরিজ ও টুর্নামেন্ট। ফলে বছরের শেষে এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। ২০২৪ ও ২০২৬—দুই বছরই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছর। আগের আসরে রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত ২৬ ম্যাচে নয়বার ২০০ বা তার বেশি রান তুলেছিল। এবার বিশ্বকাপের পর নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। সূর্যকুমারের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। অধিনায়ক বদলালেও ভারতের ব্যাটিং দর্শনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকে ভারত। যদিও দুই ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ও অভিষেক শর্মাকে দ্রুত হারায় তারা, এরপর ইনিংসের হাল ধরেন ঈশান কিষান। মাত্র ৪৪ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও শেষদিকে ঝড় তোলেন তিলক বর্মা। মাত্র ২৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৬০ রান করে ভারতের সংগ্রহ ২১৯ রানে নিয়ে যান তিনি। রিংকু সিং ও শিবম দুবেও শেষ ওভারগুলোতে প্রয়োজনীয় গতি যোগ করেন।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ১৯ বলে ৩২ রান করে দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। একসময় ৩৪ রানেই দুই উইকেট হারানোর পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা।

ভারতের বোলাররাও ব্যাটারদের মতোই ছিলেন কার্যকর। অভিষেক শর্মা বল হাতে তিনটি উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের শেষ প্রতিরোধও ভেঙে দেন। যশ ঠাকুর ও প্রিন্স যাদব নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া রবি বিষ্ণোই, শিবম দুবে ও তিলক বর্মাও একটি করে উইকেট শিকার করেন। ফলে ১৭.৫ ওভারেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

৯০ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেয় ভারত। একই সঙ্গে মাঠের জয়ের পাশাপাশি পরিসংখ্যানের পাতাতেও নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল তারা।