আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা জানান রিজভী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া ১২ কর্মকর্তাও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, গতকাল সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক আন্দোলনে দলের নেতা-কর্মীদের অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আজ যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা কোনো অবস্থাতেই নিজেদের নীতি বিক্রি করবেন না এবং কখনোই মাথানত করবেন না।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, বিগত চার মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার সমাজকল্যাণমূলক অসংখ্য কাজ হাতে নিয়েছেন এবং প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে ট্রিলিয়ন ডলারের যে যুগান্তকারী অর্থনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মাধ্যমে এ দেশের তরুণ সমাজকে নতুন করে কাজে লাগানো হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এসময় দলের নেতাকর্মী ও যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রিজভী।
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন, আমরা সেটা বিশ্বাস করতে চাই। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগী রাষ্ট্রপতির বিচারের যে দাবি উঠেছে, সে বিষয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম পরবর্তীতে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আপাতদৃষ্টিতে, তিনি মূলত শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়েই পদত্যাগ করেছেন।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিবসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় সরকার।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















