ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার দাবানলের কারণে প্রথমবারের মতো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্পেন। একই সময়ে আটলান্টিক উপকূলের দাবানল মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তা চেয়েছে ফ্রান্স। খবর রয়টার্সের।

ফ্রান্সের জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপে আগুন ও ঘন ধোঁয়া বসতবাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। এ পর্যন্ত প্রায় ৬৩ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের অনেককে নৌকাযোগেও উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে যাওয়া ২৬ বছর বয়সী ইয়োয়ান ইউরিয়েন বলেন, তাদের বাড়ি থেকেই আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছিল এবং আকাশের মেঘ ক্রমেই আরও ঘন ও কালো হয়ে উঠছিল।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন নুনেজ স্থানীয় টেলিভিশনকে জানান, ক্যাপ ফেরের উত্তরে সাওমুস এলাকায় শুরু হওয়া দাবানল উপদ্বীপ থেকে বের হওয়ার একমাত্র সড়ক প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। চলতি মৌসুমে এটিই দেশটির সবচেয়ে বড় দাবানল। আগুনে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৮০টি বাড়ি, যার মধ্যে প্রায় ৫০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

অন্যদিকে, স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাসকা জানিয়েছেন, রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই অঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী আভিলা প্রদেশের তিনটি দাবানল একত্রিত হওয়া ঠেকাতে কাজ করছেন অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। তার ভাষ্য, জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বয় আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা

আপডেট সময় ০৭:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার দাবানলের কারণে প্রথমবারের মতো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্পেন। একই সময়ে আটলান্টিক উপকূলের দাবানল মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তা চেয়েছে ফ্রান্স। খবর রয়টার্সের।

ফ্রান্সের জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপে আগুন ও ঘন ধোঁয়া বসতবাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। এ পর্যন্ত প্রায় ৬৩ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের অনেককে নৌকাযোগেও উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে যাওয়া ২৬ বছর বয়সী ইয়োয়ান ইউরিয়েন বলেন, তাদের বাড়ি থেকেই আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছিল এবং আকাশের মেঘ ক্রমেই আরও ঘন ও কালো হয়ে উঠছিল।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন নুনেজ স্থানীয় টেলিভিশনকে জানান, ক্যাপ ফেরের উত্তরে সাওমুস এলাকায় শুরু হওয়া দাবানল উপদ্বীপ থেকে বের হওয়ার একমাত্র সড়ক প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। চলতি মৌসুমে এটিই দেশটির সবচেয়ে বড় দাবানল। আগুনে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৮০টি বাড়ি, যার মধ্যে প্রায় ৫০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

অন্যদিকে, স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাসকা জানিয়েছেন, রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই অঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী আভিলা প্রদেশের তিনটি দাবানল একত্রিত হওয়া ঠেকাতে কাজ করছেন অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। তার ভাষ্য, জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বয় আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।