আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ভোলার লালমোহনে রাজহাঁস চুরির দায়ে মো. নাজিম নামে এক যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে মুক্তি দেওয়া হয়। অভিনব এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কিশোরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. নাজিম লালমোহন পৌরসভার পাকার মাথা এলাকার বুলু হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় চোরের উৎপাত দেখা দেয়। রাতের অন্ধকারে স্থানীয়দের হাঁস-মুরগিসহ নানান মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ এলাকার আরিন্দা বাড়ির মো. এমরান হোসেন রাকিব নামে এক ব্যক্তির দুটি রাজহাঁস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে ধাওয়া দিয়ে হাঁসসহ চোর নাজিমকে আটক করেন। এ সময় তিনি আর কখনো এ ধরনের কর্মকাণ্ড করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। পরে তাকে স্থানীয়রা শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ ধার্য করেন। এরপর ওই চোরকে ধার্যকৃত নামাজ পড়িয়ে এবং তওবা করিয়ে স্বজনদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
হাঁস মালিক এমরান হোসেন রাকিব বলেন, রাজহাঁস দুটি আমার এবং পরিবারের অনেক শখের। হাঁসের ঘর থেকে সু-কৌশলে হাঁস দুটি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহজনক ভাবে তাকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে ডাকচিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি হাঁস দুটি আমার। চুরির দায়ে তাকে মারধর না করে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, ঘটনাটি থানায় কেউ জানায়নি। তবে রাতে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে আমাদের চারটি ফোর্স কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















