ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘স্যার’ না, ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ঠাকুরগাঁও তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা

নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পক্ষে বেশিরভাগ দল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধারাবাহিকভাবে ৪০টি নিবন্ধিত দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টি (জেপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষ হয়।

সংলাপে ইসি ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী সাতটি করণীয় ঠিক করে দেয়া হলেও বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ইসির এখতিয়ার বহির্ভূত অনেক বিষয়ে প্রস্তাবনা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০টি দল নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দিয়েছেন।

এছাড়া দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পাঁচটি প্রধান বিষয়ে পরস্পরবিরোধী প্রস্তাব দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে এমনটাই চিত্র পাওয়া গেছে।

তবে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ জানিয়েছে নির্বাচনের সময় কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা যাবে, তা ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা বিধিমালায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সফল সংলাপ শেষ হয়েছে। প্রতিটি দলই সংলাপে অংশ নিয়েছে এটা ইসির বড় সফলতা।

ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলোর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন, সীমানা পুনঃনির্ধারণ ও আইন সংস্কারের সময় বড় ধরনের পরিবর্তন না আনা, সেনা মোতায়েন ও না-ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে মত এসেছে।

এছাড়া নির্বাচনে ধর্মের সর্বপ্রকার ব্যবহার, সাম্প্রদায়িক প্রচার প্রচারণা ও ভোট চাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নিষিদ্ধ করা; স্বাধীনতাবিরোধী ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলকে নিবন্ধন না দেওয়া; প্রার্থীর নাম, দল ও প্রতীকের উল্লেখ সম্বলিত অভিন্ন পোস্টারের ব্যবস্থা করা; নির্বাচনী বিরোধ তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা, নির্বাচন কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত রাখা, নৈতিক স্খলনের অভিযোগে দণ্ডিতদের দুই বছর পর সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতার সুযোগ বাতিল করা, যে সব দল ৩০ এর বেশি প্রার্থী মনোনয়ন দেবে সেসব দলকে বেতার ও টিভিসহ সরকারি প্রচারমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সুযোগ দেওয়া, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা- কর্মচারীদের কমিশন থেকে প্রত্যাহার করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছে।

প্রতিটি সংলাপেরই সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারী নেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপসূচি নির্ধারণ করেছে ইসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পক্ষে বেশিরভাগ দল

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধারাবাহিকভাবে ৪০টি নিবন্ধিত দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টি (জেপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষ হয়।

সংলাপে ইসি ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী সাতটি করণীয় ঠিক করে দেয়া হলেও বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ইসির এখতিয়ার বহির্ভূত অনেক বিষয়ে প্রস্তাবনা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০টি দল নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দিয়েছেন।

এছাড়া দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পাঁচটি প্রধান বিষয়ে পরস্পরবিরোধী প্রস্তাব দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে এমনটাই চিত্র পাওয়া গেছে।

তবে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ জানিয়েছে নির্বাচনের সময় কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা যাবে, তা ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা বিধিমালায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সফল সংলাপ শেষ হয়েছে। প্রতিটি দলই সংলাপে অংশ নিয়েছে এটা ইসির বড় সফলতা।

ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলোর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন, সীমানা পুনঃনির্ধারণ ও আইন সংস্কারের সময় বড় ধরনের পরিবর্তন না আনা, সেনা মোতায়েন ও না-ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে মত এসেছে।

এছাড়া নির্বাচনে ধর্মের সর্বপ্রকার ব্যবহার, সাম্প্রদায়িক প্রচার প্রচারণা ও ভোট চাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নিষিদ্ধ করা; স্বাধীনতাবিরোধী ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলকে নিবন্ধন না দেওয়া; প্রার্থীর নাম, দল ও প্রতীকের উল্লেখ সম্বলিত অভিন্ন পোস্টারের ব্যবস্থা করা; নির্বাচনী বিরোধ তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা, নির্বাচন কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত রাখা, নৈতিক স্খলনের অভিযোগে দণ্ডিতদের দুই বছর পর সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতার সুযোগ বাতিল করা, যে সব দল ৩০ এর বেশি প্রার্থী মনোনয়ন দেবে সেসব দলকে বেতার ও টিভিসহ সরকারি প্রচারমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সুযোগ দেওয়া, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা- কর্মচারীদের কমিশন থেকে প্রত্যাহার করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছে।

প্রতিটি সংলাপেরই সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারী নেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপসূচি নির্ধারণ করেছে ইসি।