ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে ১২ জনের জেল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যাালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্টারকার্ডের মত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহের সময় এদেরকে হাতে নাতে ধরা হয়। কানে ঢুকানো ছিল অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইশতিয়াক আহমেদ, গাইবান্ধার আব্দুল্লাহ আল মুকিম ও মোহাম্মদ রিশাদ কবির, পাবনার মিরাজ আহমেদ, বগুড়ার জয়সাহা, কুমিল্লার নূর মোহাম্মদ মাহবুব, রেজোয়ানা শেখ শোভা ও মাসুকা নাসরিন রোজা, ময়মনসিংহের তারিকুল ইসলাম, রংপুরের নাসিরুল হক নাহিদ, ফরিদপুরের এমডি ফারহাতুল আলম রাফি, নাটোরের মো. মিনারুল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতফুল কবীর, অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে ১২ জনের জেল

আপডেট সময় ০৫:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যাালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্টারকার্ডের মত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহের সময় এদেরকে হাতে নাতে ধরা হয়। কানে ঢুকানো ছিল অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইশতিয়াক আহমেদ, গাইবান্ধার আব্দুল্লাহ আল মুকিম ও মোহাম্মদ রিশাদ কবির, পাবনার মিরাজ আহমেদ, বগুড়ার জয়সাহা, কুমিল্লার নূর মোহাম্মদ মাহবুব, রেজোয়ানা শেখ শোভা ও মাসুকা নাসরিন রোজা, ময়মনসিংহের তারিকুল ইসলাম, রংপুরের নাসিরুল হক নাহিদ, ফরিদপুরের এমডি ফারহাতুল আলম রাফি, নাটোরের মো. মিনারুল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতফুল কবীর, অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।