ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে ১২ জনের জেল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যাালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্টারকার্ডের মত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহের সময় এদেরকে হাতে নাতে ধরা হয়। কানে ঢুকানো ছিল অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইশতিয়াক আহমেদ, গাইবান্ধার আব্দুল্লাহ আল মুকিম ও মোহাম্মদ রিশাদ কবির, পাবনার মিরাজ আহমেদ, বগুড়ার জয়সাহা, কুমিল্লার নূর মোহাম্মদ মাহবুব, রেজোয়ানা শেখ শোভা ও মাসুকা নাসরিন রোজা, ময়মনসিংহের তারিকুল ইসলাম, রংপুরের নাসিরুল হক নাহিদ, ফরিদপুরের এমডি ফারহাতুল আলম রাফি, নাটোরের মো. মিনারুল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতফুল কবীর, অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে ১২ জনের জেল

আপডেট সময় ০৫:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যাালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্টারকার্ডের মত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহের সময় এদেরকে হাতে নাতে ধরা হয়। কানে ঢুকানো ছিল অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইশতিয়াক আহমেদ, গাইবান্ধার আব্দুল্লাহ আল মুকিম ও মোহাম্মদ রিশাদ কবির, পাবনার মিরাজ আহমেদ, বগুড়ার জয়সাহা, কুমিল্লার নূর মোহাম্মদ মাহবুব, রেজোয়ানা শেখ শোভা ও মাসুকা নাসরিন রোজা, ময়মনসিংহের তারিকুল ইসলাম, রংপুরের নাসিরুল হক নাহিদ, ফরিদপুরের এমডি ফারহাতুল আলম রাফি, নাটোরের মো. মিনারুল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতফুল কবীর, অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।