ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জুবাইদা রহমানের থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্যের প্রাণহানি কুমিল্লায় শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ২২, তিনজনের অবস্থা গুরুতর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চাইলে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ধনী দেশ হতে পারতো: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে আগ্রহী : বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে শুরু

জামায়াতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে: আব্দুল কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্ত’ সংবলিত ভিডিওকে সামাজিক মাধ্যমে চলমান আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এরই মধ্যে জামায়তের বিষয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তিনি বলেছেন, জামায়াতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নিজের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

আব্দুল কাদেরের পোস্ট হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

‘জামাতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে। নজরুল সাহেবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের একের পর এক বেলাল্লাপনা জনসম্মুখে আসতেছে। সৎ লোকের শাসন এবং দ্বীন কায়েমের ঠিকাদারি নেওয়া জামাত এই পরিস্থিতি জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে-

১. জরুরি মিটিং ডেকে নজরুলসহ বাকিসব এমপিদের সঙ্গে রাখঢাক না রেখে খোলামেলা আলাপ করা। কার কোথায় কী আছে, সেটা নিজেদের মধ্যে স্বীকার করা এবং ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা। এম্পিদের সাথে মিটিং এর পর পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে অনুরূপ মিটিং করা।

২. দ্বিতীয় স্টেপে এসে, মগবাজারের যেসব সস্তা হোটেলে গাজী নজরুল ইসলাম নারী নিয়ে গিয়েছেন, সেসব হোটেলে টাকাপয়সা দিয়ে একটা বন্দোবস্ত করে ফেলা। যেনো আর কোনো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ লিক না করে। এই কাজটা অতিসত্বর করতে হবে। দেরি করলে কিন্তু লেইট হয়ে যাবে।

৩. টাকা পয়সা নিয়ে এখন চিন্তা করা যাবে না। সবকিছুর ওপরে দলের ভাবমূর্তি। প্রয়োজনে আরো অধিক পরিমাণ যাকাতের টাকা চেয়ে তুরষ্ককে চিঠি পাঠাতে পারে। আর অভ্যন্তরীণ উৎস হিসবে ইসলামি ব্যাংক, ইবনে সিনা সহ সকল জামাতি প্রতিষ্ঠানের ওপর এয়ানতের হার বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া জনশক্তিদের থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, ব্ল্যাকমেইল করে বেশি করে এয়ানত আদায় করে নিতে পারে।

আপাতত এই কয়টা কাজ জামাতকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করতে হবে। অন্যথায়, সৎ-চরিত্রবান নেতৃত্ব এবং দ্বীন কায়েমের বাংলাদেশের একমাত্র ইজারাদার হিসেবে বেশিদিন টিকতে পারবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতি ট্যাকেল দেওয়া জরুরি, এই ফাঁড়া কাটিয়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে অনেক ধর্ম ব্যবসা করতে পারবে। আপাতত মেহনত…

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

জামায়াতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে: আব্দুল কাদের

আপডেট সময় ০১:১০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্ত’ সংবলিত ভিডিওকে সামাজিক মাধ্যমে চলমান আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এরই মধ্যে জামায়তের বিষয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তিনি বলেছেন, জামায়াতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নিজের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

আব্দুল কাদেরের পোস্ট হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

‘জামাতের সৎ এবং চরিত্রবানের লেবাস খসে খসে পড়তেছে। নজরুল সাহেবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের একের পর এক বেলাল্লাপনা জনসম্মুখে আসতেছে। সৎ লোকের শাসন এবং দ্বীন কায়েমের ঠিকাদারি নেওয়া জামাত এই পরিস্থিতি জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে-

১. জরুরি মিটিং ডেকে নজরুলসহ বাকিসব এমপিদের সঙ্গে রাখঢাক না রেখে খোলামেলা আলাপ করা। কার কোথায় কী আছে, সেটা নিজেদের মধ্যে স্বীকার করা এবং ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা। এম্পিদের সাথে মিটিং এর পর পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে অনুরূপ মিটিং করা।

২. দ্বিতীয় স্টেপে এসে, মগবাজারের যেসব সস্তা হোটেলে গাজী নজরুল ইসলাম নারী নিয়ে গিয়েছেন, সেসব হোটেলে টাকাপয়সা দিয়ে একটা বন্দোবস্ত করে ফেলা। যেনো আর কোনো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ লিক না করে। এই কাজটা অতিসত্বর করতে হবে। দেরি করলে কিন্তু লেইট হয়ে যাবে।

৩. টাকা পয়সা নিয়ে এখন চিন্তা করা যাবে না। সবকিছুর ওপরে দলের ভাবমূর্তি। প্রয়োজনে আরো অধিক পরিমাণ যাকাতের টাকা চেয়ে তুরষ্ককে চিঠি পাঠাতে পারে। আর অভ্যন্তরীণ উৎস হিসবে ইসলামি ব্যাংক, ইবনে সিনা সহ সকল জামাতি প্রতিষ্ঠানের ওপর এয়ানতের হার বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া জনশক্তিদের থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, ব্ল্যাকমেইল করে বেশি করে এয়ানত আদায় করে নিতে পারে।

আপাতত এই কয়টা কাজ জামাতকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করতে হবে। অন্যথায়, সৎ-চরিত্রবান নেতৃত্ব এবং দ্বীন কায়েমের বাংলাদেশের একমাত্র ইজারাদার হিসেবে বেশিদিন টিকতে পারবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতি ট্যাকেল দেওয়া জরুরি, এই ফাঁড়া কাটিয়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে অনেক ধর্ম ব্যবসা করতে পারবে। আপাতত মেহনত…