ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর

প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার ঘোষণা মোদির

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বুকে বিক্ষোভে উত্তাল ছাত্রসমাজ এবং পার্লামেন্টে বিরোধীদের তীব্র হট্টগোলের মধ্যেই দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে এক বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার দেশজুড়ে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট বা দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে মোদি লেখেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ও কল্যাণ সাধনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের দ্রুত সাজা দিতে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া একাধিক ধারাবাহিক পদক্ষেপেরই অংশ এটি। যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার এনডিএ বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁসকে এক ‘ঘোর পাপ’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা এমন একসময়ে এলো যখন রাজধানীর রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে। বিরোধীদের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। এমনকি বিরোধীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা সংসদে কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনায় প্রস্তুত, কিন্তু বিরোধীরা শর্ত চাপিয়ে আলোচনা থমকে রেখেছে।

উল্লেখ্য, বুধবার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন যে গত ১০ বছরে অন্তত ১৫০টিরও বেশি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু একটিতেও কারও সাজা হয়নি। সেই পটভূমিতে দাঁড়িয়ে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের এই ঘোষণা বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে দোষীদের সাজা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার ঘোষণা মোদির

আপডেট সময় ১১:৩০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বুকে বিক্ষোভে উত্তাল ছাত্রসমাজ এবং পার্লামেন্টে বিরোধীদের তীব্র হট্টগোলের মধ্যেই দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে এক বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার দেশজুড়ে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট বা দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে মোদি লেখেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ও কল্যাণ সাধনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের দ্রুত সাজা দিতে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া একাধিক ধারাবাহিক পদক্ষেপেরই অংশ এটি। যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার এনডিএ বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁসকে এক ‘ঘোর পাপ’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা এমন একসময়ে এলো যখন রাজধানীর রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে। বিরোধীদের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। এমনকি বিরোধীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা সংসদে কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনায় প্রস্তুত, কিন্তু বিরোধীরা শর্ত চাপিয়ে আলোচনা থমকে রেখেছে।

উল্লেখ্য, বুধবার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন যে গত ১০ বছরে অন্তত ১৫০টিরও বেশি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু একটিতেও কারও সাজা হয়নি। সেই পটভূমিতে দাঁড়িয়ে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের এই ঘোষণা বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে দোষীদের সাজা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।