ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও একধাপ বাড়ল। কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) হামলাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ড্রোন হ্যাঙ্গার ও রাডার ব্যবস্থা নিশানা করা হয়েছে। খবর আলজাজিরার।

আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির প্রথম বিবৃতি অনুযায়ী, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর একটি দূরপাল্লার রাডার কেন্দ্র, একটি টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণ ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডারে সফল হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারেও আঘাত হানা হয়, যার ফলে একাধিক সামরিক ড্রোন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে তাদের দাবি।

প্রথম বিবৃতির পর দ্রুতই দ্বিতীয় আরেকটি যৌথ ঘোষণা দেয় আইআরজিসি। সেখানে বলা হয়, আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে অবস্থিত আগাম সতর্কীকরণ রাডার, এফপিএস-১১৭ রাডার, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এ অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পদক্ষেপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়া।

আইআরজিসির পর পৃথক এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনীও সমান্তরাল অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর তিনটি কৌশলগত অবস্থানে ‘কামিকাজে ড্রোন’ দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে। এতে ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও দিকনির্ণয়কারী অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এলাকা এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটির সেনা আবাসন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও তৎপরতার কারণেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতেই এসব সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তাদের গণমাধ্যম। তবে এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর কিংবা কুয়েত কর্তৃপক্ষের থেকে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

আপডেট সময় ১২:১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও একধাপ বাড়ল। কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) হামলাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ড্রোন হ্যাঙ্গার ও রাডার ব্যবস্থা নিশানা করা হয়েছে। খবর আলজাজিরার।

আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির প্রথম বিবৃতি অনুযায়ী, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর একটি দূরপাল্লার রাডার কেন্দ্র, একটি টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণ ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডারে সফল হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারেও আঘাত হানা হয়, যার ফলে একাধিক সামরিক ড্রোন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে তাদের দাবি।

প্রথম বিবৃতির পর দ্রুতই দ্বিতীয় আরেকটি যৌথ ঘোষণা দেয় আইআরজিসি। সেখানে বলা হয়, আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে অবস্থিত আগাম সতর্কীকরণ রাডার, এফপিএস-১১৭ রাডার, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এ অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পদক্ষেপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়া।

আইআরজিসির পর পৃথক এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনীও সমান্তরাল অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর তিনটি কৌশলগত অবস্থানে ‘কামিকাজে ড্রোন’ দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে। এতে ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও দিকনির্ণয়কারী অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এলাকা এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটির সেনা আবাসন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও তৎপরতার কারণেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতেই এসব সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তাদের গণমাধ্যম। তবে এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর কিংবা কুয়েত কর্তৃপক্ষের থেকে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।