ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে শিশুর মৃত্যু তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী পানি সংকটে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা, যুদ্ধের ইঙ্গিত খাজা আসিফের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো এমপিপুত্রকে ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম ধাপের আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘সমুদ্র ও নৌ-পথের সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে আমাদের সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতে হবে। উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’

সোমবার সকালে রাজধানীর খিলখেতে বানৌজায় নৌ-বাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পাওয়া গেলেও বিগত সরকারের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সমুদ্রের খনিজসম্পদ আহরণ সম্ভব হয়নি।

সমুদ্রসম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সমুদ্রে জ্বালানি পাওয়া শুধু সম্ভাবনা নয়, এটি নিশ্চিত সম্পদ। তবে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এর যথাযথ ব্যবহার ও সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হয়নি।

ওই সময় আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমা অর্জন করে, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলোও মেনে নেয়। ভারত ও মিয়ানমার নিজ নিজ এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম চালালেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে উত্তোলনের উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফির ক্ষেত্রেও ধারাবাহিক কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌযোগাযোগ আরো নিরাপদ, মনোরম ও সাশ্রয়ী করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে সচেতনতা ও সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক। এই বন্দর দিয়ে নেভিগেশন ও জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও উৎসাহিত করতে কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং তা আরো বিস্তৃত ও প্রসারিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মেসিকে নিয়ে লিখতে গেলে একটি পুরো বইও যথেষ্ট নয়’

উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘সমুদ্র ও নৌ-পথের সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে আমাদের সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতে হবে। উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’

সোমবার সকালে রাজধানীর খিলখেতে বানৌজায় নৌ-বাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পাওয়া গেলেও বিগত সরকারের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সমুদ্রের খনিজসম্পদ আহরণ সম্ভব হয়নি।

সমুদ্রসম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সমুদ্রে জ্বালানি পাওয়া শুধু সম্ভাবনা নয়, এটি নিশ্চিত সম্পদ। তবে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এর যথাযথ ব্যবহার ও সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হয়নি।

ওই সময় আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমা অর্জন করে, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলোও মেনে নেয়। ভারত ও মিয়ানমার নিজ নিজ এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম চালালেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে উত্তোলনের উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফির ক্ষেত্রেও ধারাবাহিক কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌযোগাযোগ আরো নিরাপদ, মনোরম ও সাশ্রয়ী করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে সচেতনতা ও সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক। এই বন্দর দিয়ে নেভিগেশন ও জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও উৎসাহিত করতে কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং তা আরো বিস্তৃত ও প্রসারিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।