ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জুলাইযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি করার প্রস্তাব ফজলুর রহমানের ভেনেজুয়েলার পর জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প সাভারে পাঁচ মাসের মধ্যে মাদক নির্মূল হবে: এমপি সালাউদ্দিন গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ‘সরকার ৪ মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন, সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই খেলাপি ঋণে ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ বেহাল: সংসদে রেজা কিবরিয়া ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

সন্তানদের সুরক্ষায় টুইটারকে শচীনের বিশেষ অনুরোধ

File Photo

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শচীন টেন্ডুলকারের ক্রিকেটকে বিদায় বলার দিনটা মনে আছে? বিদায়ী ভাষণ? সেদিনের সেই ভাষণে অনেক কথাই বলেছিলেন শচীন। বলেছিলেন মেয়ে সারা ও ছেলে অর্জুনকে নিয়েও। ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় ছেলে মেয়েদের ঠিক-ঠাক সময় দিতে পারেন নি। কথা দিয়েছিলেন এখন থেকে ঠিক মতো সময় দেবেন। ক্রিকেটকে বিদায় বললেও শচীনের ব্যস্ততা যে কমেছে তা বলার উপায় নেই। তবে একজন বাবা টেন্ডুলকার কিন্তু ছেলে-মেয়েদের প্রতি খুবই যত্নশীল। নইলে সারা ও অর্জুনের নামে চালু থাকা ভুয়া টুইটার অ্যাকাউন্ট নিয়ে কি আর এত উদ্বিগ্ন হন লিটল মাস্টার?

টুইটারে এমনিতে শচীন নিজে খুব সক্রিয়। যে কোন বিষয়ে ভক্তদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে টুইটার তার সবচেয়ে প্রিয় মাধ্যমই বলতে হবে। তবে সোমবার একটু ভিন্ন রকম টুইটই করলেন এই কিংবদন্তি। যেখানে টুইটার কর্তিপক্ষের প্রতি থাকলো লিটল মাস্টারের অনুরোধ। ভারতের সাবেক অধিনায়ক শচীন লিখলেন, ‘আমি বিষয়টি আবারো পুনরাবৃত্তি করছি, আমার সন্তান অর্জুন এবং সারা টুইটারে নেই। টুইটার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি যতো দ্রুত সম্ভব ওদের নামে নকল অ্যাকাউন্টগুলো সরিয়ে ফেলা হোক’।

একই প্রসঙ্গে তিন বছর আগেও একবার টুইট করেছিলেন শচীন। ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি করা সেই টুইটটিও নতুন টুইটে জুড়ে দিয়েছেন শচীন। সেবার টেন্ডুলকাল লিখেছিলেন, ‘অনুগ্রহ করে আমার সন্তান সারা এবং অর্জুনের নামে টুইটার অ্যাকাউন্টে বিশ্বাস করবেন না। ওরা টুইটারে নেই।’

সোমবার একই বিষয়ে পরপর দুটি টুইট করেন শচীন। দ্বিতীয় টুইটে শচীন লেখেন, ‘ছদ্মবেশ ক্ষতি করে, ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে, আমাদের আঘাত করে। আমি এখানে আবেদন করছি দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করা হোক।’ প্রথম টুইটটা টুইটার কর্তৃপক্ষকে হ্যাস ট্যাগ দিয়ে করেছেন শচীন। দ্বিতীয় টুইটটা কি তবে ছদ্মবেশীদের প্রতিই করলেন লিটল মাস্টার?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন

সন্তানদের সুরক্ষায় টুইটারকে শচীনের বিশেষ অনুরোধ

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শচীন টেন্ডুলকারের ক্রিকেটকে বিদায় বলার দিনটা মনে আছে? বিদায়ী ভাষণ? সেদিনের সেই ভাষণে অনেক কথাই বলেছিলেন শচীন। বলেছিলেন মেয়ে সারা ও ছেলে অর্জুনকে নিয়েও। ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় ছেলে মেয়েদের ঠিক-ঠাক সময় দিতে পারেন নি। কথা দিয়েছিলেন এখন থেকে ঠিক মতো সময় দেবেন। ক্রিকেটকে বিদায় বললেও শচীনের ব্যস্ততা যে কমেছে তা বলার উপায় নেই। তবে একজন বাবা টেন্ডুলকার কিন্তু ছেলে-মেয়েদের প্রতি খুবই যত্নশীল। নইলে সারা ও অর্জুনের নামে চালু থাকা ভুয়া টুইটার অ্যাকাউন্ট নিয়ে কি আর এত উদ্বিগ্ন হন লিটল মাস্টার?

টুইটারে এমনিতে শচীন নিজে খুব সক্রিয়। যে কোন বিষয়ে ভক্তদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে টুইটার তার সবচেয়ে প্রিয় মাধ্যমই বলতে হবে। তবে সোমবার একটু ভিন্ন রকম টুইটই করলেন এই কিংবদন্তি। যেখানে টুইটার কর্তিপক্ষের প্রতি থাকলো লিটল মাস্টারের অনুরোধ। ভারতের সাবেক অধিনায়ক শচীন লিখলেন, ‘আমি বিষয়টি আবারো পুনরাবৃত্তি করছি, আমার সন্তান অর্জুন এবং সারা টুইটারে নেই। টুইটার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি যতো দ্রুত সম্ভব ওদের নামে নকল অ্যাকাউন্টগুলো সরিয়ে ফেলা হোক’।

একই প্রসঙ্গে তিন বছর আগেও একবার টুইট করেছিলেন শচীন। ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি করা সেই টুইটটিও নতুন টুইটে জুড়ে দিয়েছেন শচীন। সেবার টেন্ডুলকাল লিখেছিলেন, ‘অনুগ্রহ করে আমার সন্তান সারা এবং অর্জুনের নামে টুইটার অ্যাকাউন্টে বিশ্বাস করবেন না। ওরা টুইটারে নেই।’

সোমবার একই বিষয়ে পরপর দুটি টুইট করেন শচীন। দ্বিতীয় টুইটে শচীন লেখেন, ‘ছদ্মবেশ ক্ষতি করে, ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে, আমাদের আঘাত করে। আমি এখানে আবেদন করছি দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করা হোক।’ প্রথম টুইটটা টুইটার কর্তৃপক্ষকে হ্যাস ট্যাগ দিয়ে করেছেন শচীন। দ্বিতীয় টুইটটা কি তবে ছদ্মবেশীদের প্রতিই করলেন লিটল মাস্টার?