ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদলেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।

বুধবার সন্ধ্যায় (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটেছে। তার এ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তিনি পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাবেক ওই নেতার নাম সুমন চৌধুরী। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলেন।

বুধবার বিকালে জেলা যুবদলের নতুন ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুল আলিম হুমায়ূনকে সভাপতি, সৈকত রশিদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্ব) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সুমন চৌধুরী এ কমিটিতে পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সদস্য হতে পারিনি। কোথায় ভুল করেছি? কোথায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছি? লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলকে এর জবাব দিতে হবে। আন্দোলন সংগ্রামে আমি রাজপথে ছিলাম। ১৭ বছর বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি।’

জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজপথে থেকেছি, দলের জন্য সময়-শ্রম দিয়েছি। আমার ত্যাগের কথা নেতারাও জানে। কিন্তু জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে আমাকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর নিষ্ক্রিয় ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রায়পুর উপজেলা থেকে ৭ জনকে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে। রামগঞ্জ উপজেলা থেকে এমন একজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।’

এ সম্পর্কে জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ূন বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জেলায় এমন অন্তত এক হাজার যোগ্য ও ত্যাগী নেতা রয়েছেন, যারা যুবদলের কমিটিতে স্থান পাওয়ার সক্ষমতা রাখেন। তারা গত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তবে জেলা যুবদলের কমিটি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাকর্মীকেই কমিটির বাইরে রাখতে হয়। সুমন চৌধুরীর বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেছি। কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদলেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।

বুধবার সন্ধ্যায় (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটেছে। তার এ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তিনি পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাবেক ওই নেতার নাম সুমন চৌধুরী। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলেন।

বুধবার বিকালে জেলা যুবদলের নতুন ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুল আলিম হুমায়ূনকে সভাপতি, সৈকত রশিদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্ব) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সুমন চৌধুরী এ কমিটিতে পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সদস্য হতে পারিনি। কোথায় ভুল করেছি? কোথায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছি? লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলকে এর জবাব দিতে হবে। আন্দোলন সংগ্রামে আমি রাজপথে ছিলাম। ১৭ বছর বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি।’

জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজপথে থেকেছি, দলের জন্য সময়-শ্রম দিয়েছি। আমার ত্যাগের কথা নেতারাও জানে। কিন্তু জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে আমাকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর নিষ্ক্রিয় ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রায়পুর উপজেলা থেকে ৭ জনকে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে। রামগঞ্জ উপজেলা থেকে এমন একজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।’

এ সম্পর্কে জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ূন বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জেলায় এমন অন্তত এক হাজার যোগ্য ও ত্যাগী নেতা রয়েছেন, যারা যুবদলের কমিটিতে স্থান পাওয়ার সক্ষমতা রাখেন। তারা গত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তবে জেলা যুবদলের কমিটি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাকর্মীকেই কমিটির বাইরে রাখতে হয়। সুমন চৌধুরীর বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেছি। কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’