ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিনোদনকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি চাইলেন আসিফ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

মানুষের মধ্যে হিংস্রতা, জিঘাংসা ও হতাশার জন্ম দেয় বিনোদনের অভাব। একই সঙ্গে শিশুদের মানসিক বিকাশে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। বিনোদনের বহুমুখী গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি বলেন, বাংলাদেশে এটিকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ব্যান্ড সংগীতের প্রতি অবদানের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

আসিফ আকবর লেখেন, জনবহুল বাংলাদেশে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে বিনোদনকে স্বীকৃতি দেওয়াটা জরুরি বলে মনে করি। দেশে মানুষের বিনোদনের বড় সংকট রয়েছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে মননশীলতার বিকাশ ঘটানো সারা বিশ্বে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।

ব্যান্ড সংগীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি চট্টগ্রামের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত অনেকেই পরবর্তীতে দেশবরেণ্য তারকায় পরিণত হন। শহীদ জিয়া দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন এবং আমদানি কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেন। এর ফলে নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব ঘটে।

বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। আসিফ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পূর্বে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সংগীতের ভৌতিক পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও প্রয়োজন, যা আমাদের সংগীতের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশই মুসলিম। বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশেই সংগীত, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়মিত হয়। তাই পশ্চাৎপদতার দিকে ধাবিত না হয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে।

বিনোদনের উন্নয়নে সরকারের প্রতি আশা প্রকাশ করে আসিফ আকবর বলেন, আমাদের শিশুদের মৌলিক অধিকার বিনোদন। সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। আশা করি বর্তমান সরকার মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে সারা দেশে শক্তিশালী ও টেকসই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিনোদনকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি চাইলেন আসিফ

আপডেট সময় ০৬:০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

মানুষের মধ্যে হিংস্রতা, জিঘাংসা ও হতাশার জন্ম দেয় বিনোদনের অভাব। একই সঙ্গে শিশুদের মানসিক বিকাশে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। বিনোদনের বহুমুখী গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি বলেন, বাংলাদেশে এটিকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ব্যান্ড সংগীতের প্রতি অবদানের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

আসিফ আকবর লেখেন, জনবহুল বাংলাদেশে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে বিনোদনকে স্বীকৃতি দেওয়াটা জরুরি বলে মনে করি। দেশে মানুষের বিনোদনের বড় সংকট রয়েছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে মননশীলতার বিকাশ ঘটানো সারা বিশ্বে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।

ব্যান্ড সংগীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি চট্টগ্রামের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত অনেকেই পরবর্তীতে দেশবরেণ্য তারকায় পরিণত হন। শহীদ জিয়া দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন এবং আমদানি কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেন। এর ফলে নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব ঘটে।

বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। আসিফ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পূর্বে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সংগীতের ভৌতিক পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও প্রয়োজন, যা আমাদের সংগীতের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশই মুসলিম। বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশেই সংগীত, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়মিত হয়। তাই পশ্চাৎপদতার দিকে ধাবিত না হয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে।

বিনোদনের উন্নয়নে সরকারের প্রতি আশা প্রকাশ করে আসিফ আকবর বলেন, আমাদের শিশুদের মৌলিক অধিকার বিনোদন। সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। আশা করি বর্তমান সরকার মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে সারা দেশে শক্তিশালী ও টেকসই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা করবে।