ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নারীর মতো প্রকৃতিকেও পণ্য বানিয়েছে পুরুষতন্ত্র: দিয়া মির্জা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

পুরুষতন্ত্রের জন্যই পরিবেশের অবনতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, পরিবেশ খারাপ হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আলোচনাসভায় গিয়ে এমন মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। এর পরেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনার ঝড়। কেউ কেউ সমর্থন করেছেন অভিনেত্রীকে। আবার কেউ কেউ নিন্দা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, পুরুষেরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তারাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন।

কোনো নির্দিষ্ট পুরুষকে দায়ী করার জন্য নয়; বরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো যেভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা বোঝানোর জন্যই তিনি এমন মন্তব্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন দিয়া মির্জা।

অভিনেত্রী বলেন, পুরুষরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তারাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। তিনি বলেন, যেহেতু অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন, তাই বিষয়টি যতটা সহজভাবে বলা যায়, ততটাই বলছি। আমি আমার বক্তব্যে অনড়। পিতৃতন্ত্রই জলবায়ু সংকটের প্রধান কারণ।

দিয়া মির্জা বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কিছু মানুষের হাতেই থেকেছে ক্ষমতা। যত্ন নেওয়ার বদলে তারা কেবল সম্পদ শোষণ করেছে। এমনকি প্রকৃতিকে রক্ষা করার পরিবর্তে ব্যবহারের বস্তু হিসাবেই শুধু দেখেছে।

তিনি বলেন, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয়, অনেকটা সেভাবেই বন, জঙ্গল, নদী, সমুদ্র এবং পরিবেশের অন্যান্য অংশকেও পণ্য হিসাবে দেখা হয়। এ চিন্তাভাবনার ফল এখন আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।

নিজের মন্তব্যের যুক্তিতে অনড় থেকে দিয়া মির্জা আরও বলেন, প্রকৃতি রক্ষা এবং নারীর অধিকারের পক্ষে যারা কথা বলেন, তাদের কণ্ঠস্বরকে দুর্বল করার কাজও এই পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থারই অংশ।

কেন পুরুষতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন, তা আরও বিশদে জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিশেষ করে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর নারীরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে আগে অনুভব করেন। পানি সংকট, খাদ্যের অভাব, ঘরছাড়া হওয়া এবং জীবিকার ক্ষতির মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। কিন্তু পরিবেশসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাগুলোতে তাদের উপস্থিতি এখনো খুব কম।

অভিনেত্রী বলেন, স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ তৈরি করতে হলে এই আধিপত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে সমতা, সহানুভূতিসহত জীবনের প্রতি সম্মান করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নারীর মতো প্রকৃতিকেও পণ্য বানিয়েছে পুরুষতন্ত্র: দিয়া মির্জা

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

পুরুষতন্ত্রের জন্যই পরিবেশের অবনতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, পরিবেশ খারাপ হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আলোচনাসভায় গিয়ে এমন মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। এর পরেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনার ঝড়। কেউ কেউ সমর্থন করেছেন অভিনেত্রীকে। আবার কেউ কেউ নিন্দা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, পুরুষেরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তারাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন।

কোনো নির্দিষ্ট পুরুষকে দায়ী করার জন্য নয়; বরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো যেভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা বোঝানোর জন্যই তিনি এমন মন্তব্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন দিয়া মির্জা।

অভিনেত্রী বলেন, পুরুষরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তারাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। তিনি বলেন, যেহেতু অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন, তাই বিষয়টি যতটা সহজভাবে বলা যায়, ততটাই বলছি। আমি আমার বক্তব্যে অনড়। পিতৃতন্ত্রই জলবায়ু সংকটের প্রধান কারণ।

দিয়া মির্জা বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কিছু মানুষের হাতেই থেকেছে ক্ষমতা। যত্ন নেওয়ার বদলে তারা কেবল সম্পদ শোষণ করেছে। এমনকি প্রকৃতিকে রক্ষা করার পরিবর্তে ব্যবহারের বস্তু হিসাবেই শুধু দেখেছে।

তিনি বলেন, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয়, অনেকটা সেভাবেই বন, জঙ্গল, নদী, সমুদ্র এবং পরিবেশের অন্যান্য অংশকেও পণ্য হিসাবে দেখা হয়। এ চিন্তাভাবনার ফল এখন আর উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।

নিজের মন্তব্যের যুক্তিতে অনড় থেকে দিয়া মির্জা আরও বলেন, প্রকৃতি রক্ষা এবং নারীর অধিকারের পক্ষে যারা কথা বলেন, তাদের কণ্ঠস্বরকে দুর্বল করার কাজও এই পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থারই অংশ।

কেন পুরুষতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন, তা আরও বিশদে জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিশেষ করে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর নারীরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে আগে অনুভব করেন। পানি সংকট, খাদ্যের অভাব, ঘরছাড়া হওয়া এবং জীবিকার ক্ষতির মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। কিন্তু পরিবেশসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাগুলোতে তাদের উপস্থিতি এখনো খুব কম।

অভিনেত্রী বলেন, স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ তৈরি করতে হলে এই আধিপত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে সমতা, সহানুভূতিসহত জীবনের প্রতি সম্মান করতে হবে।