ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাজেটে সরকারের মূলনীতি কী- তুলে ধরলেন মাহদী আমিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতির কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর (রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন) কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।‌

তিনি জানান, বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে। এছাড়া অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে। শুক্রবার সকালে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মূলনীতিগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।

‘প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতি’ শিরোনামে শুক্রবার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মাহদী আমিন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। সেগুলো হলো-
১. সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার (Value for Money)
২. জনগণের সম্পদ যে সকল প্রকল্পে বিনিয়োজিত হচ্ছে তার কার্যকর অর্থনৈতিক সুফল মূল্যায়ন (Return on Investment)
৩. সরকারের বিনিয়োগের সুনির্দিষ্টভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা (Job Creation)
৪. প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার দিকে সজাগ দৃষ্টি (Environmental Consideration)

তিনি জানান, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলো-
১. অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, যা ১ বছর মেয়াদি (Recovery & Stabilisation)
২. অর্থনীতির উত্তরণ, যা বর্তমান সরকারের ১-৩ বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে (Restoration)
৩. সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মাণ, যা আগামী ৫ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে (Reconstruction for Acceleration)

যে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো তুলে ধরেছেন তিনি। এগুলো হলো-
১. সবার জন্য উন্নয়ন
২. সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
৩. সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা
৪. বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি
৫. বিনিয়ন্ত্রণকরণ (Deregulation)
৬. আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা
৭. জ্বালানি নিরাপত্তা
৮. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ
৯. প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা
১০. স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

মাহদী আমিন লিখেছেন, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে যে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে সেগুলো হলো-
১। Demographic Dividend
২। Longevity Dividend
৩। Democratic Dividend

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাজেটে সরকারের মূলনীতি কী- তুলে ধরলেন মাহদী আমিন

আপডেট সময় ০১:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতির কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর (রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন) কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।‌

তিনি জানান, বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে। এছাড়া অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে। শুক্রবার সকালে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মূলনীতিগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।

‘প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতি’ শিরোনামে শুক্রবার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মাহদী আমিন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। সেগুলো হলো-
১. সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার (Value for Money)
২. জনগণের সম্পদ যে সকল প্রকল্পে বিনিয়োজিত হচ্ছে তার কার্যকর অর্থনৈতিক সুফল মূল্যায়ন (Return on Investment)
৩. সরকারের বিনিয়োগের সুনির্দিষ্টভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা (Job Creation)
৪. প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার দিকে সজাগ দৃষ্টি (Environmental Consideration)

তিনি জানান, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলো-
১. অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, যা ১ বছর মেয়াদি (Recovery & Stabilisation)
২. অর্থনীতির উত্তরণ, যা বর্তমান সরকারের ১-৩ বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে (Restoration)
৩. সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মাণ, যা আগামী ৫ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে (Reconstruction for Acceleration)

যে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো তুলে ধরেছেন তিনি। এগুলো হলো-
১. সবার জন্য উন্নয়ন
২. সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
৩. সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা
৪. বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি
৫. বিনিয়ন্ত্রণকরণ (Deregulation)
৬. আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা
৭. জ্বালানি নিরাপত্তা
৮. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ
৯. প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা
১০. স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

মাহদী আমিন লিখেছেন, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে যে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে সেগুলো হলো-
১। Demographic Dividend
২। Longevity Dividend
৩। Democratic Dividend

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।