আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের আকাশসীমায় সামরিক ড্রোন পাঠানোর ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার (১২ জুন) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এ রায় দেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
আদালতের রায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে পরিচালিত ওই ড্রোন অভিযানের পরিকল্পনায় ইউন শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন। আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শত্রুপক্ষকে সহায়তা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পিয়ংইয়ংয়ে ড্রোন পাঠিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির জন্য একটি অজুহাত তৈরি করতে চেয়েছিলেন ইউন। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ইউনের আইনজীবীরা দাবি করেন, তিনি কখনো এই অভিযানের নির্দেশ দেননি বা পরে অনুমোদনও দেননি। তাদের মতে, এটি সামরিক আইন জারির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না; বরং উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে আবর্জনাভর্তি বেলুন পাঠানোর প্রতিক্রিয়া ছিল।
এর আগে এপ্রিল মাসে প্রসিকিউটররা ইউনের বিরুদ্ধে ৩০ বছরের কারাদণ্ডের আবেদন করেছিলেন।
এই রায় ক্ষমতাচ্যুত রক্ষণশীল এই নেতার বিরুদ্ধে দেওয়া একাধিক আদালতের রায়ের সর্বশেষ সংযোজন। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক শীর্ষ প্রসিকিউটর ইউনের সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্ত দেশটিকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে ফেলেছিল।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি মামলায় সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সংবিধান আদালত তার অভিশংসন বহাল রাখার পর গত বছর ইউনকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণ করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত আগাম নির্বাচনে উদারপন্থী নেতা লি জে-মিয়ং বিজয়ী হন।
বর্তমানে কারাগারে থাকা ইউন শুক্রবারের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















