আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আবাসন খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে সরকার। এবার কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া ছাড়াই এ খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বা ‘কালো টাকা’ সাদা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষ করে জমি, ফ্ল্যাট বা বিল্ডিং কেনাবেচার ক্ষেত্রে দলিলের মূল্যের চেয়ে প্রকৃত মূল্যের পার্থক্য থাকলে, তা নির্দিষ্ট হারে কর প্রদানের মাধ্যমে বৈধ করার সুযোগ থাকছে। সবার ক্ষেত্রে এই সুবিধা থাকবে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমন সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রাখতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। এজন্য অর্থবিলে আলাদা একটি ধারা সংযুক্ত হতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই ঐতিহাসিক বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এটিই প্রথম বাজেট উপস্থাপন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ধারাটি যুক্ত করার প্রস্তাব পাস হলে কোনো করদাতার জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার প্রকৃত মূল্য দলিল মূল্যের চেয়ে বেশি হলে তিনি ওই অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর ব্যক্তি শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত করহারে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন।
অর্থ আইন বা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোনো আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে এই কর পরিশোধ করলে সে বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন বা কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
জানা গেছে, যদি অর্থ আইনের অধীনে কোনো ব্যক্তির এ ধরনের বিষয়ে কোনো কার্যক্রম ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়ে থাকে তাহলে অতিরিক্ত ক্রয় বা বিক্রয়মূল্যের ওপর প্রযোজ্য করের সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হবে। এ ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য আদালতে আগে থেকেই দোষী প্রমাণিত হওয়া কোনো ব্যক্তি এই ধরনের সুবিধা পাবেন না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















