ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা নিতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে এসব নির্দেশনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়-সম্প্রতি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে দেওয়া নির্দেশনাগুলো কী কী।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত ও জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিতে হবে। সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সরকারি সেবা যেন হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ থাকে, সে বিষয়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৩০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা নিতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে এসব নির্দেশনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়-সম্প্রতি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে দেওয়া নির্দেশনাগুলো কী কী।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত ও জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিতে হবে। সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সরকারি সেবা যেন হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ থাকে, সে বিষয়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।