ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিসিবির পরিচালক থেকে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প নতুন শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ বিষয় হাদি হত্যায় কারা জড়িত তা স্পষ্ট করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: মাছুমা হাদি পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১২-১৩টি চিঠি দেয়া হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’ ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি খাদ্যদ্রব্য রফতানি হচ্ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতি বছর ৩৫ লাখ টন খাদ্য যায় ময়লার ঝুড়িতে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিকের ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম-জুতা-ব্যাগ দেবে সরকার:ববি হাজ্জাজ

ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আর কোনো বিকল্প বা উপায় থাকবে না।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূল সিদ্ধান্ত বা চূড়ান্ত নির্দেশ কেবল তিনিই দিচ্ছেন, এখানে নেতানিয়াহুর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

গত এপ্রিল মাসের শুরুতে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে রোববার (৮ জুন) গভীর রাতে ইরান থেকে ইসরাইলের ওপর একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতির পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

এর পাশাপাশি ফক্স নিউজকে দেওয়া পৃথক এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, তিনি ইতোমধ্যে নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক যুদ্ধংদেহী বিবৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

ইসরাইলের ওপর ইরানের এই সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তেহরানের সঙ্গে চলমান মার্কিন কূটনৈতিক আলোচনা বা চুক্তি প্রক্রিয়ায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই হামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হয় তা এখনই দেখার বিষয়, তবে এগুলো চুক্তির ওপর কোনো বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে না। মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে হিসাবের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় এই দ্বন্দ্ব ৩ হাজার বছর কিংবা ৪৭ বছর ধরে একইভাবে চলে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে যখন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে ইসরাইলি নেতৃত্বের প্রতি এই কড়া বার্তা এলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকঢোল বাজিয়ে শতবর্ষীর লাশ দাফনের চেষ্টা, তোপের মুখে ক্ষমা প্রার্থনা

ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৬:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আর কোনো বিকল্প বা উপায় থাকবে না।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূল সিদ্ধান্ত বা চূড়ান্ত নির্দেশ কেবল তিনিই দিচ্ছেন, এখানে নেতানিয়াহুর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

গত এপ্রিল মাসের শুরুতে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে রোববার (৮ জুন) গভীর রাতে ইরান থেকে ইসরাইলের ওপর একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতির পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

এর পাশাপাশি ফক্স নিউজকে দেওয়া পৃথক এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, তিনি ইতোমধ্যে নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক যুদ্ধংদেহী বিবৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

ইসরাইলের ওপর ইরানের এই সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তেহরানের সঙ্গে চলমান মার্কিন কূটনৈতিক আলোচনা বা চুক্তি প্রক্রিয়ায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই হামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হয় তা এখনই দেখার বিষয়, তবে এগুলো চুক্তির ওপর কোনো বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে না। মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে হিসাবের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় এই দ্বন্দ্ব ৩ হাজার বছর কিংবা ৪৭ বছর ধরে একইভাবে চলে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে যখন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে ইসরাইলি নেতৃত্বের প্রতি এই কড়া বার্তা এলো।