ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’:চিফ প্রসিকিউটর উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২ পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কারামুক্ত এনসিপি নেতা তারেক রেজা, পুলিশের বিরুদ্ধে ‘বাজে’ আচরণের অভিযোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঝিনাইদহে মারামারির ঘটনায় ছাত্রদলের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। এর আগে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারেক রেজার জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

একই মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা অয়ন রহমান খানের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

এর আগে রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে ঝিনাইদহ শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে রাতেই তাকে আদালতে হাজির করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। একই সময় ডিবি পুলিশের হাতে যশোর থেকে আটক যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা অয়ন রহমান খানকেও আদালতে হাজির করা হয় এবং তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগার থেকে মুক্তির পর সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ঝিনাইদহ আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তারেক রেজা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, রোববার বিকাল ৫টার পরও অয়নকে আদালতে হাজির না করায় এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার পরিপন্থি। এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনজীবী ইসমাইল ভাই ছিলেন। কিন্তু উনাকে সময় দেওয়া হয়নি। রাতে আমাকে আদালতে আনা হলে বলা হয় আমার কোনো আইনজীবী আসেননি। অথচ উনাকে বেল পিটিশনের জন্য জানানো হয়েছিল।

তারেক রেজা অভিযোগ করেন, তাকে ভুল তথ্য দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অবমাননাকর আচরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গ্রেফতারের সময় তার ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং অশোভন ভাষায় ‘ওঠ, গাড়িতে ওঠ’ বলা হয়। এছাড়া তাকে গাড়িতে তোলার সময়ও জোরপূর্বক আচরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর

কারামুক্ত এনসিপি নেতা তারেক রেজা, পুলিশের বিরুদ্ধে ‘বাজে’ আচরণের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঝিনাইদহে মারামারির ঘটনায় ছাত্রদলের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। এর আগে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারেক রেজার জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

একই মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা অয়ন রহমান খানের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

এর আগে রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে ঝিনাইদহ শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে রাতেই তাকে আদালতে হাজির করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। একই সময় ডিবি পুলিশের হাতে যশোর থেকে আটক যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা অয়ন রহমান খানকেও আদালতে হাজির করা হয় এবং তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগার থেকে মুক্তির পর সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ঝিনাইদহ আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তারেক রেজা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, রোববার বিকাল ৫টার পরও অয়নকে আদালতে হাজির না করায় এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার পরিপন্থি। এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনজীবী ইসমাইল ভাই ছিলেন। কিন্তু উনাকে সময় দেওয়া হয়নি। রাতে আমাকে আদালতে আনা হলে বলা হয় আমার কোনো আইনজীবী আসেননি। অথচ উনাকে বেল পিটিশনের জন্য জানানো হয়েছিল।

তারেক রেজা অভিযোগ করেন, তাকে ভুল তথ্য দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অবমাননাকর আচরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গ্রেফতারের সময় তার ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং অশোভন ভাষায় ‘ওঠ, গাড়িতে ওঠ’ বলা হয়। এছাড়া তাকে গাড়িতে তোলার সময়ও জোরপূর্বক আচরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।