ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

জার্মানিতে পথ সংস্কৃতির উৎসবে বর্ণিল বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বর্ণবাদ, বৈষম্য ও বৈচিত্রময় সমাজ ও পৃথিবী গড়ার লক্ষ্য নিয়ে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পথ সংস্কৃতির উৎসব ‘কার্নিভাল ডেয়ার কুলটুওর’-এর ৩০তম আসর। মহামিলনের পথ উৎসবে বিশ্বের নানা দেশের সাথে অংশ নেয় বাংলাদেশও।

ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে ও মানুষের সাথে সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে রবিবার (২৪ মে) বার্নিলে অনুষ্ঠিত হলো জার্মানির ঐতিহ্যবাহী পথ সংস্কৃতির উৎসব কার্নিভাল ডেয়ার কুলটুওর। উৎসবে স্বাগতিক জার্মানি ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ৬৭টি দল অংশ নিয়ে তাদের নিজ দেশের শিল্প, সংস্কৃতি, সভ্যতা ও ঐতিহ্যকে দর্শনার্থীদের সামনে পরিবেশন করে।

জার্মানির বার্লিনে প্রবাসীদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বেঙ্গালীশে কালচারাল ফোরামের উদ্যােগে প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উদ্দীপ্ত করে সবাইকে। প্রবাসী তরুণ-তরুণীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা নজর কাড়ে সড়কের দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সব বয়সী দর্শকদের। দুহাতে কুড়ায় ভূয়সী প্রশংসা। এতে যোগ দেয় স্থানীয় জার্মানরাও। প্যারেডে হাতে হাতে বহন করে বাংলাদেশের ফুল ও পশুপাখির ছবি।

৩০তম কার্নিভালের এই আসরে অংশ নেয় বিশ্বের নানা দেশের প্রায় হাজার হাজার সংস্কৃতিকর্মী। তাদের সবার পরিবেশনায় বার্লিন হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ রঙিন। বার্লিনের রাজপথে প্যারেডে প্রবাসীদের কণ্ঠে ছিল ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে উঠে সম্প্রীতি ও আবহমান কালের সংস্কৃতির দেশ গড়ার।

এবারের এই পথ সংস্কৃতির উৎসবে যোগ দিতে বার্লিন ছাড়াও হ্যানোভার, ফ্রাঙ্কফুর্ট, মাইনজ, ভিসভাডেনসহ নানা প্রদেশ থেকে প্রবাসীরা অংশ নেয়। গান আর নৃত্যে সবার কণ্ঠে ছিল শুধুই বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের।

এদিকে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বার্লিন প্রশাসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

জার্মানিতে পথ সংস্কৃতির উৎসবে বর্ণিল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বর্ণবাদ, বৈষম্য ও বৈচিত্রময় সমাজ ও পৃথিবী গড়ার লক্ষ্য নিয়ে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পথ সংস্কৃতির উৎসব ‘কার্নিভাল ডেয়ার কুলটুওর’-এর ৩০তম আসর। মহামিলনের পথ উৎসবে বিশ্বের নানা দেশের সাথে অংশ নেয় বাংলাদেশও।

ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে ও মানুষের সাথে সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে রবিবার (২৪ মে) বার্নিলে অনুষ্ঠিত হলো জার্মানির ঐতিহ্যবাহী পথ সংস্কৃতির উৎসব কার্নিভাল ডেয়ার কুলটুওর। উৎসবে স্বাগতিক জার্মানি ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ৬৭টি দল অংশ নিয়ে তাদের নিজ দেশের শিল্প, সংস্কৃতি, সভ্যতা ও ঐতিহ্যকে দর্শনার্থীদের সামনে পরিবেশন করে।

জার্মানির বার্লিনে প্রবাসীদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বেঙ্গালীশে কালচারাল ফোরামের উদ্যােগে প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উদ্দীপ্ত করে সবাইকে। প্রবাসী তরুণ-তরুণীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা নজর কাড়ে সড়কের দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সব বয়সী দর্শকদের। দুহাতে কুড়ায় ভূয়সী প্রশংসা। এতে যোগ দেয় স্থানীয় জার্মানরাও। প্যারেডে হাতে হাতে বহন করে বাংলাদেশের ফুল ও পশুপাখির ছবি।

৩০তম কার্নিভালের এই আসরে অংশ নেয় বিশ্বের নানা দেশের প্রায় হাজার হাজার সংস্কৃতিকর্মী। তাদের সবার পরিবেশনায় বার্লিন হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ রঙিন। বার্লিনের রাজপথে প্যারেডে প্রবাসীদের কণ্ঠে ছিল ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে উঠে সম্প্রীতি ও আবহমান কালের সংস্কৃতির দেশ গড়ার।

এবারের এই পথ সংস্কৃতির উৎসবে যোগ দিতে বার্লিন ছাড়াও হ্যানোভার, ফ্রাঙ্কফুর্ট, মাইনজ, ভিসভাডেনসহ নানা প্রদেশ থেকে প্রবাসীরা অংশ নেয়। গান আর নৃত্যে সবার কণ্ঠে ছিল শুধুই বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের।

এদিকে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বার্লিন প্রশাসন।