ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গলায় ছুরি ধরে ভুট্টাখেতে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ৩ সহযোগী গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় গলায় ছুরি ধরে ভুট্টাখেতে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে এক যুবক। আর একজন পাহারা দেয়, একজন ভিডিও করে ও একজন সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষকের তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে। তবে মামলার মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে।

বুধবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে দর্শনা থানার নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের বেলে মাঠ এলাকায় তিন যুবক মিলে গলায় ছুরি ধরে এক শিশুকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকে ভুট্টাখেতে নিয়ে একই গ্রামের হাবিল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২৬) ধর্ষণ করে।

এ সময় আব্দুস সামাদের ছেলে পলাশ (২৫) পুরো ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে এবং হোসেন আলীর ছেলে জনি (২৩) আশপাশে পাহারা দেয়। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ায় নেহালপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুল (২০)

ঘটনার পর বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও বুধবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ, উদ্বেগ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সামাজিক ও মানসিক দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বুধবার রাতে দর্শনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী পলাশ, সহযোগী জনি ও আব্দুলকে গ্রেফতার করে। তবে প্রধান অভিযুক্ত মিরাজ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।

দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ভিকটিম ও আসামির বাড়ি দর্শনা থানার মধ্যে কিন্তু ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আওতাভুক্ত হওয়ায় মামলা সেখানে দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার তিন আসামিকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পলাতক মূল অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

গলায় ছুরি ধরে ভুট্টাখেতে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ৩ সহযোগী গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:৩০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় গলায় ছুরি ধরে ভুট্টাখেতে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে এক যুবক। আর একজন পাহারা দেয়, একজন ভিডিও করে ও একজন সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষকের তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে। তবে মামলার মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে।

বুধবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে দর্শনা থানার নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের বেলে মাঠ এলাকায় তিন যুবক মিলে গলায় ছুরি ধরে এক শিশুকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকে ভুট্টাখেতে নিয়ে একই গ্রামের হাবিল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২৬) ধর্ষণ করে।

এ সময় আব্দুস সামাদের ছেলে পলাশ (২৫) পুরো ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে এবং হোসেন আলীর ছেলে জনি (২৩) আশপাশে পাহারা দেয়। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ায় নেহালপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুল (২০)

ঘটনার পর বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও বুধবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ, উদ্বেগ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সামাজিক ও মানসিক দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বুধবার রাতে দর্শনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী পলাশ, সহযোগী জনি ও আব্দুলকে গ্রেফতার করে। তবে প্রধান অভিযুক্ত মিরাজ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।

দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ভিকটিম ও আসামির বাড়ি দর্শনা থানার মধ্যে কিন্তু ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আওতাভুক্ত হওয়ায় মামলা সেখানে দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার তিন আসামিকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পলাতক মূল অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।