ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের

এ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক: ডেপুটি স্পিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না। এখানে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। রাষ্ট্রের সম্পদের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম—এক মানবের দুই হাত, এক হাত হিন্দু আর এক হাত মুসলমান। উন্নয়নমূলক টিআর, কাবিখা বা অন্যান্য বরাদ্দ যাই আসুক না কেন, আমি মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সবাইকে সমানভাবে ভাগ করে দিই। বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের আগামী তিন মাস সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

কায়সার কামাল আরও বলেন, সরকারি অনুদান নিতে কাউকে কোনো ধরনের ঘুস দিতে হবে না। অতীতে বিভিন্ন সরকারি অনুদান নিয়ে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, সরকারি অনুদান নিয়ে আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না।

সুমেশ্বরী নদী শাসন প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইতোমধ্যে সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ও হাওড় এলাকার দুর্ভোগ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর এ ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দুর্ভোগ দিনদিন বেড়েছে। এখন যে পরিকল্পনাগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আমরা আশা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম এবং কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমসহ স্থানীয়রা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক: ডেপুটি স্পিকার

আপডেট সময় ১১:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না। এখানে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। রাষ্ট্রের সম্পদের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম—এক মানবের দুই হাত, এক হাত হিন্দু আর এক হাত মুসলমান। উন্নয়নমূলক টিআর, কাবিখা বা অন্যান্য বরাদ্দ যাই আসুক না কেন, আমি মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সবাইকে সমানভাবে ভাগ করে দিই। বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের আগামী তিন মাস সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

কায়সার কামাল আরও বলেন, সরকারি অনুদান নিতে কাউকে কোনো ধরনের ঘুস দিতে হবে না। অতীতে বিভিন্ন সরকারি অনুদান নিয়ে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, সরকারি অনুদান নিয়ে আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না।

সুমেশ্বরী নদী শাসন প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইতোমধ্যে সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ও হাওড় এলাকার দুর্ভোগ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর এ ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দুর্ভোগ দিনদিন বেড়েছে। এখন যে পরিকল্পনাগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আমরা আশা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম এবং কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমসহ স্থানীয়রা।