ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রেন ও খালে ময়লা না ফেলার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেন ও খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। সেইসঙ্গে রাজধানীর বাসিন্দাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনি খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসী কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করা হবে, আর আবারও তা আগের অবস্থায় ফিরে যাবে, সেটি মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে যারা খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো অপসারণ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যেন এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে খালটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। একাধিকবার পরিষ্কার করার পরও অল্প সময়ের মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই বিষয়টির স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে খাল উদ্ধার এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখার বিকল্প নেই।

এ সময় খাল ও ড্রেনে ময়লা ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার কার্যক্রম চালিয়ে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন শফিকুল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রেন ও খালে ময়লা না ফেলার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

আপডেট সময় ০৫:২৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডেন ও খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। সেইসঙ্গে রাজধানীর বাসিন্দাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনি খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসী কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করা হবে, আর আবারও তা আগের অবস্থায় ফিরে যাবে, সেটি মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে যারা খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো অপসারণ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যেন এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে খালটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। একাধিকবার পরিষ্কার করার পরও অল্প সময়ের মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই বিষয়টির স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে খাল উদ্ধার এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখার বিকল্প নেই।

এ সময় খাল ও ড্রেনে ময়লা ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার কার্যক্রম চালিয়ে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন শফিকুল ইসলাম।