ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও তফসিলের সম্ভাব্য সময় জানালেন ইসি আনোয়ারুল স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল জামায়াত যেদিন লোগো থেকে আকিমুদ দ্বীন উঠিয়েছে সেদিনই তারা পরাজিত: চরমোনাই পীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্য প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে চীনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরান সংকট সমাধানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর সহযোগিতা নেওয়ার প্রয়োজন দেখছেন না।

ট্রাম্প বলেন, “ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের দরকার নেই। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।”

চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্বে মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

যদিও উভয় পক্ষের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবু স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে এখনো কোনো বড় অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে কাজ করছে ইরান। তেল ও এলএনজি পরিবহনের জন্য দেশটি ইতিমধ্যে ইরাক ও পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। আরও কয়েকটি দেশও একই ধরনের চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে তেহরানের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কোনো দেশেরই শুল্ক বা টোল আরোপ করা উচিত নয়।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ঘনিষ্ঠ অংশীদার এবং দেশটির তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা। তবে ওয়াশিংটনের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো আপত্তি জানায়নি বেইজিং।

আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ট্রাম্প ও শি জিন পিং এর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠকে ইরান পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দাবি হলো-ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে হবে।

অন্যদিকে ইরানও কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্য প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে চীনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরান সংকট সমাধানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর সহযোগিতা নেওয়ার প্রয়োজন দেখছেন না।

ট্রাম্প বলেন, “ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের দরকার নেই। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।”

চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্বে মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

যদিও উভয় পক্ষের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবু স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে এখনো কোনো বড় অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে কাজ করছে ইরান। তেল ও এলএনজি পরিবহনের জন্য দেশটি ইতিমধ্যে ইরাক ও পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। আরও কয়েকটি দেশও একই ধরনের চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে তেহরানের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কোনো দেশেরই শুল্ক বা টোল আরোপ করা উচিত নয়।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ঘনিষ্ঠ অংশীদার এবং দেশটির তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা। তবে ওয়াশিংটনের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো আপত্তি জানায়নি বেইজিং।

আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ট্রাম্প ও শি জিন পিং এর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠকে ইরান পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দাবি হলো-ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে হবে।

অন্যদিকে ইরানও কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ করা।