ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অনিয়ম করলে শাস্তির হুঁশিয়ারি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ডিজির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ে আর্থিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আর্থিক শৃঙ্খলা, শুদ্ধাচার এবং অফিস ব্যবস্থাপনায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

সোমবার রাজধানীর কৃষি তথ্য সার্ভিসের সম্মেলন কক্ষে বিসিএস কৃষি ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজন করা হয়।

আব্দুর রহিম বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষক পর্যায়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ জন্য কর্মকর্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতার সুযোগ নেই বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তিনি বলেন, অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দপ্তরের অডিট আপত্তি কমিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির মধ্যে কৃষক কার্ড চালু অন্যতম। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

কৃষক কার্ড কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে শূন্য পদে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

টিস্যু কালচার প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বে এ প্রযুক্তি পুরোনো হলেও বাংলাদেশের কৃষিতে এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কলা, আনারস, আলু, জারবেরা, লিলিয়াম ও স্ট্রবেরিসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে এবং তা ভালো ফলন দিচ্ছে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর সভাপতিত্ব করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের টিস্যু কালচারবিষয়ক পরামর্শক ড. মো. একরামুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অনিয়ম করলে শাস্তির হুঁশিয়ারি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ডিজির

আপডেট সময় ১১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ে আর্থিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আর্থিক শৃঙ্খলা, শুদ্ধাচার এবং অফিস ব্যবস্থাপনায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

সোমবার রাজধানীর কৃষি তথ্য সার্ভিসের সম্মেলন কক্ষে বিসিএস কৃষি ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজন করা হয়।

আব্দুর রহিম বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষক পর্যায়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ জন্য কর্মকর্তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতার সুযোগ নেই বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তিনি বলেন, অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দপ্তরের অডিট আপত্তি কমিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির মধ্যে কৃষক কার্ড চালু অন্যতম। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

কৃষক কার্ড কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে শূন্য পদে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

টিস্যু কালচার প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বে এ প্রযুক্তি পুরোনো হলেও বাংলাদেশের কৃষিতে এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কলা, আনারস, আলু, জারবেরা, লিলিয়াম ও স্ট্রবেরিসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে এবং তা ভালো ফলন দিচ্ছে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর সভাপতিত্ব করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের টিস্যু কালচারবিষয়ক পরামর্শক ড. মো. একরামুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন।