অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝে গত ২৩ দিনে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টনেরও বেশী বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ত্রাণ গ্রহণ ও বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৮৫ টন ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এক হিসাবে দেখা গেছে ৫ হাজার ৯শ ৯৬ দশমিক ৬৩০ টন ত্রাণ বিতরণ করা হয়। আর শনিবার ও রোববার মিলে আরও প্রায় ৫৭০ টন ত্রাণ বিতরণ হওয়ার কথা। এ ত্রাণের মধ্যে বেসরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ের ত্রাণ-সামগ্রী রয়েছে।
উখিয়া ডিগ্রি কলেজে স্থাপিত ত্রাণ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের কমান্ডার মেজর মুহিত এসব তথ্য জানিয়েছেন। এসব ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে খাবার, পানি, তাবু, ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য।
উখিয়া ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনীর ত্রাণ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা গেছে, বেসরকারিভাবে আসা ত্রাণগুলো গ্রহণ করে দাতাদের রসিদ দেয়া হচ্ছে। ত্রাণ দাতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে ত্রাণবাহী গাড়িতে যেতে দেওয়া হচ্ছে। আবার রান্না করা খাবার ও পচনশীল ত্রাণ সামগ্রী সাথে সাথে সেনাপ্রতিনিধি দিয়ে নির্ধারিত ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাস্তার পাশের অস্থায়ী তাবু, খোলা মাঠে কিংবা পাহাড়ের অদূরে সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি স্থানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম করা হচ্ছে। ফলে রাস্তায় এখন আর ত্রাণের জন্য হাহাকার নেই।
ত্রাণের গোডাউনের সামনে সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য মিলে ত্রাণের হিসাব করছিলেন। ‘ত্রাণ কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?’ এমন মন্তব্যের জবাবে সেনা সদস্যরা জানালেন, ‘কী বলেন, অনেক ত্রাণ এখনো জমা আছে। গুদামে রাখার জায়গা পর্যন্ত নেই। ওয়াল্ড ফুড প্রোগ্রামের নতুন স্থাপিত গোডাউনে কিছু ত্রাণ রাখা হয়েছে। এখনও প্রতিদিন ত্রাণ জমা হচ্ছে।’ পরিদর্শনে দেখা গেলো গুদাম ও আশেপাশে ত্রিপলে ঘেরা প্রচুর চাল-ডাল-তেলসহ ও টিনজাত ও শুকনো ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















