ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। একই সঙ্গে অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতেও।

বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বিবিএসের সবশেষ তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে, গত মার্চ মাসে যেটি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে। মার্চ মাসে যেটি ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এদিকে মার্চ মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ থাকলেও এপ্রিলে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এছাড়া এপ্রিলে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

এপ্রিল মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০২ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে। জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেয়। পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায়। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

আপডেট সময় ০৭:২১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। একই সঙ্গে অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতেও।

বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বিবিএসের সবশেষ তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে, গত মার্চ মাসে যেটি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে। মার্চ মাসে যেটি ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এদিকে মার্চ মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ থাকলেও এপ্রিলে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এছাড়া এপ্রিলে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

এপ্রিল মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০২ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে। জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেয়। পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায়। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।