ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চুক্তি না হলে ‘আরও তীব্র’ বোমা হামলা, ইরানকে ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চুক্তি হলে ইরান যুদ্ধের ও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের অবসান হতে পারে। তবে ইরান রাজি না হলে বোমা হামলা আরও তীব্র হতে পারে।

বুধবার তার মালিকানাধীন সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘যা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে, ইরান যদি তা দেয়-তাহলে অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ হয়ে যাবে।’

যদিও তিনি নিজেই নিশ্চিত নন যে ইরান আসলে সেই শর্তগুলো মেনে নেবে কি না।

ট্রাম্প বলেন, শর্ত মেনে নিলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যে মার্কিন অবরোধ চলছে, সেটি তখন তুলে নেওয়া হবে এবং ইরানসহ সবার জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।

একই সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও বোমা হামলা শুরু হবে এবং ‘দুঃখজনকভাবে সেটি মাত্রা ও তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বেশি হবে’।

উল্লেখ্য-যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ইতি টানতে সম্ভাব্য চুক্তির পথে বড় ধরনের অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউজ মনে করছে, তারা তেহরানের সাথে একটি এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং আরও বিস্তারিত পরমাণু আলোচনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা। দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং এই বিষয়ে অবগত আরও দুটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এই ইতিবাচক অগ্রগতির কথা নিশ্চিত করেছেন।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইরানের কাছ থেকে চূড়ান্ত উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন। যদিও এখনো কোনো কিছুই আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষ এই প্রথম কোনো চুক্তির এত কাছাকাছি পৌঁছেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চুক্তি না হলে ‘আরও তীব্র’ বোমা হামলা, ইরানকে ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৭:৫৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চুক্তি হলে ইরান যুদ্ধের ও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের অবসান হতে পারে। তবে ইরান রাজি না হলে বোমা হামলা আরও তীব্র হতে পারে।

বুধবার তার মালিকানাধীন সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘যা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে, ইরান যদি তা দেয়-তাহলে অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ হয়ে যাবে।’

যদিও তিনি নিজেই নিশ্চিত নন যে ইরান আসলে সেই শর্তগুলো মেনে নেবে কি না।

ট্রাম্প বলেন, শর্ত মেনে নিলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যে মার্কিন অবরোধ চলছে, সেটি তখন তুলে নেওয়া হবে এবং ইরানসহ সবার জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।

একই সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও বোমা হামলা শুরু হবে এবং ‘দুঃখজনকভাবে সেটি মাত্রা ও তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বেশি হবে’।

উল্লেখ্য-যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ইতি টানতে সম্ভাব্য চুক্তির পথে বড় ধরনের অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউজ মনে করছে, তারা তেহরানের সাথে একটি এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং আরও বিস্তারিত পরমাণু আলোচনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা। দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং এই বিষয়ে অবগত আরও দুটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এই ইতিবাচক অগ্রগতির কথা নিশ্চিত করেছেন।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইরানের কাছ থেকে চূড়ান্ত উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন। যদিও এখনো কোনো কিছুই আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষ এই প্রথম কোনো চুক্তির এত কাছাকাছি পৌঁছেছে।