ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব: অর্থমন্ত্রী ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের জনগণ আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করেনি, করবে না: গোলাম পরওয়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

ভাগ্যে যা নির্ধারিত আছে তাই আপনি পাবেন: বাবর আজম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে জয়ের মাধ্যমে অবশেষে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম শিরোপা জিতলেন বাবর আজম। রোববার রাতে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে হারায় হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে।

গত মৌসুমে পেশোয়ারের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; দলটি তাদের ইতিহাসে প্রথমবার প্লে-অফে উঠতে পারেনি। ২০২২ সাল থেকে নেতৃত্ব দিলেও বাবর তখনও কোনো শিরোপা জেতাতে পারেননি, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও সাফল্য ছিল না। তবে এবার তিনি দলকে দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেন, যা তার অধিনায়কত্বে প্রথম পিএসএল ফাইনাল জয়ের কৃতিত্ব।

ফাইনালের পর ট্রফি হাতে বাবর বলেন, ভাগ্যে যা লেখা থাকে তা একসময় না একসময় পাওয়া যায়—শুধু ধৈর্য্য ধরতে হয় এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

যদিও মাঠে তার কৌশল নিয়ে সমালোচনা ছিল, ব্যাট হাতে তিনি দারুণ ফর্ম দেখান। আগের আসরে ১০ ম্যাচে মাত্র ২৮৮ রান করে ছন্দ হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের পিএসএলে তিনি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতা ও ফর্মহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এই আসরে বাবর সব সংশয় দূর করেছেন। ১২ ইনিংসে ১৪৫.৯০ স্ট্রাইক রেটে ৫৮৮ রান করে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যা আগে করেছিলেন ফখর জামান।

এবার তিনি দুটি সেঞ্চুরিও করেন। কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৫২ বলে শতক হাঁকিয়ে নিজের দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এবং উসমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে পিএসএলে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বাবর বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারলেও সময় নিয়ে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি উন্নতি করেছেন। পরিবার, বন্ধু ও কোচদের সমর্থন তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

জীবনকে তিনি রোলার কোস্টারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা থেকেই শেখা যায়। টি-টোয়েন্টিতে ফর্মে ফেরার পর তিনি আবার তিন ফরম্যাটেই খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, লাল বলের ক্রিকেট একজন ব্যাটারের ধৈর্য্য ও দীর্ঘ সময় ব্যাট করার সক্ষমতা বাড়ায়, যা সাদা বলের ক্রিকেটেও কাজে লাগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের

ভাগ্যে যা নির্ধারিত আছে তাই আপনি পাবেন: বাবর আজম

আপডেট সময় ০১:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে জয়ের মাধ্যমে অবশেষে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম শিরোপা জিতলেন বাবর আজম। রোববার রাতে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে হারায় হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে।

গত মৌসুমে পেশোয়ারের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; দলটি তাদের ইতিহাসে প্রথমবার প্লে-অফে উঠতে পারেনি। ২০২২ সাল থেকে নেতৃত্ব দিলেও বাবর তখনও কোনো শিরোপা জেতাতে পারেননি, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও সাফল্য ছিল না। তবে এবার তিনি দলকে দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেন, যা তার অধিনায়কত্বে প্রথম পিএসএল ফাইনাল জয়ের কৃতিত্ব।

ফাইনালের পর ট্রফি হাতে বাবর বলেন, ভাগ্যে যা লেখা থাকে তা একসময় না একসময় পাওয়া যায়—শুধু ধৈর্য্য ধরতে হয় এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

যদিও মাঠে তার কৌশল নিয়ে সমালোচনা ছিল, ব্যাট হাতে তিনি দারুণ ফর্ম দেখান। আগের আসরে ১০ ম্যাচে মাত্র ২৮৮ রান করে ছন্দ হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের পিএসএলে তিনি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতা ও ফর্মহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এই আসরে বাবর সব সংশয় দূর করেছেন। ১২ ইনিংসে ১৪৫.৯০ স্ট্রাইক রেটে ৫৮৮ রান করে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যা আগে করেছিলেন ফখর জামান।

এবার তিনি দুটি সেঞ্চুরিও করেন। কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৫২ বলে শতক হাঁকিয়ে নিজের দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এবং উসমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে পিএসএলে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বাবর বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারলেও সময় নিয়ে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি উন্নতি করেছেন। পরিবার, বন্ধু ও কোচদের সমর্থন তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

জীবনকে তিনি রোলার কোস্টারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা থেকেই শেখা যায়। টি-টোয়েন্টিতে ফর্মে ফেরার পর তিনি আবার তিন ফরম্যাটেই খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, লাল বলের ক্রিকেট একজন ব্যাটারের ধৈর্য্য ও দীর্ঘ সময় ব্যাট করার সক্ষমতা বাড়ায়, যা সাদা বলের ক্রিকেটেও কাজে লাগে।