ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভাগ্যে যা নির্ধারিত আছে তাই আপনি পাবেন: বাবর আজম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে জয়ের মাধ্যমে অবশেষে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম শিরোপা জিতলেন বাবর আজম। রোববার রাতে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে হারায় হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে।

গত মৌসুমে পেশোয়ারের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; দলটি তাদের ইতিহাসে প্রথমবার প্লে-অফে উঠতে পারেনি। ২০২২ সাল থেকে নেতৃত্ব দিলেও বাবর তখনও কোনো শিরোপা জেতাতে পারেননি, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও সাফল্য ছিল না। তবে এবার তিনি দলকে দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেন, যা তার অধিনায়কত্বে প্রথম পিএসএল ফাইনাল জয়ের কৃতিত্ব।

ফাইনালের পর ট্রফি হাতে বাবর বলেন, ভাগ্যে যা লেখা থাকে তা একসময় না একসময় পাওয়া যায়—শুধু ধৈর্য্য ধরতে হয় এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

যদিও মাঠে তার কৌশল নিয়ে সমালোচনা ছিল, ব্যাট হাতে তিনি দারুণ ফর্ম দেখান। আগের আসরে ১০ ম্যাচে মাত্র ২৮৮ রান করে ছন্দ হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের পিএসএলে তিনি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতা ও ফর্মহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এই আসরে বাবর সব সংশয় দূর করেছেন। ১২ ইনিংসে ১৪৫.৯০ স্ট্রাইক রেটে ৫৮৮ রান করে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যা আগে করেছিলেন ফখর জামান।

এবার তিনি দুটি সেঞ্চুরিও করেন। কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৫২ বলে শতক হাঁকিয়ে নিজের দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এবং উসমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে পিএসএলে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বাবর বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারলেও সময় নিয়ে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি উন্নতি করেছেন। পরিবার, বন্ধু ও কোচদের সমর্থন তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

জীবনকে তিনি রোলার কোস্টারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা থেকেই শেখা যায়। টি-টোয়েন্টিতে ফর্মে ফেরার পর তিনি আবার তিন ফরম্যাটেই খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, লাল বলের ক্রিকেট একজন ব্যাটারের ধৈর্য্য ও দীর্ঘ সময় ব্যাট করার সক্ষমতা বাড়ায়, যা সাদা বলের ক্রিকেটেও কাজে লাগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভাগ্যে যা নির্ধারিত আছে তাই আপনি পাবেন: বাবর আজম

আপডেট সময় ০১:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে জয়ের মাধ্যমে অবশেষে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম শিরোপা জিতলেন বাবর আজম। রোববার রাতে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে হারায় হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে।

গত মৌসুমে পেশোয়ারের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; দলটি তাদের ইতিহাসে প্রথমবার প্লে-অফে উঠতে পারেনি। ২০২২ সাল থেকে নেতৃত্ব দিলেও বাবর তখনও কোনো শিরোপা জেতাতে পারেননি, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও সাফল্য ছিল না। তবে এবার তিনি দলকে দ্বিতীয় শিরোপা এনে দেন, যা তার অধিনায়কত্বে প্রথম পিএসএল ফাইনাল জয়ের কৃতিত্ব।

ফাইনালের পর ট্রফি হাতে বাবর বলেন, ভাগ্যে যা লেখা থাকে তা একসময় না একসময় পাওয়া যায়—শুধু ধৈর্য্য ধরতে হয় এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

যদিও মাঠে তার কৌশল নিয়ে সমালোচনা ছিল, ব্যাট হাতে তিনি দারুণ ফর্ম দেখান। আগের আসরে ১০ ম্যাচে মাত্র ২৮৮ রান করে ছন্দ হারিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের পিএসএলে তিনি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতা ও ফর্মহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এই আসরে বাবর সব সংশয় দূর করেছেন। ১২ ইনিংসে ১৪৫.৯০ স্ট্রাইক রেটে ৫৮৮ রান করে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যা আগে করেছিলেন ফখর জামান।

এবার তিনি দুটি সেঞ্চুরিও করেন। কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৫২ বলে শতক হাঁকিয়ে নিজের দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এবং উসমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে পিএসএলে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বাবর বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারলেও সময় নিয়ে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি উন্নতি করেছেন। পরিবার, বন্ধু ও কোচদের সমর্থন তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

জীবনকে তিনি রোলার কোস্টারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা থেকেই শেখা যায়। টি-টোয়েন্টিতে ফর্মে ফেরার পর তিনি আবার তিন ফরম্যাটেই খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, লাল বলের ক্রিকেট একজন ব্যাটারের ধৈর্য্য ও দীর্ঘ সময় ব্যাট করার সক্ষমতা বাড়ায়, যা সাদা বলের ক্রিকেটেও কাজে লাগে।