ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এপ্রিলের ২৯ দিনে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল প্রবাসী আয় সংসদে আমাদের প্রতিনিধিদের কণ্ঠ এবং রাজপথে আন্দোলন চলমান থাকবে: আসিফ মাহমুদ ৫-৮ আগস্ট অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন রাষ্ট্রপতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করব, কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়: সংসদে গয়েশ্বর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার পর হরমুজে নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে: মোজতবা সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াতের তাহের যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপ ক্ষতির কারণ হবে: পুতিন বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পেট্রোলের লাইন আর নাই, লোডশেডিংও কমে গেছে: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী সংবিধান না শরিয়াহ আইন, জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান

প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করব, কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়: সংসদে গয়েশ্বর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, তবে তা স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়—বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে। তিনি দাবি করেন, যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ঐতিহাসিকভাবেও ভিন্ন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমার সামনে যারা বসে আছেন, তারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না। ১৯৪৭ সালের আন্দোলনে তারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন না, বরং অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক ব্রিটিশ আমল থেকে, আমাদের নয়। আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করব, তবে তা স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়—সমমর্যাদার ভিত্তিতে।

রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, জন্ম হোক যথাতথা, কর্ম হোক ভালো। সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেছেন। তার বক্তব্যে বাস্তবতার প্রতিফলন রয়েছে এবং তিনি অতীতকে আঁকড়ে ধরে বর্তমানকে অস্বীকার করেননি। বর্তমানকে মেনে নেওয়ার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।

গয়েশ্বর আরও বলেন, আমার দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যার মূল ভিত্তি ছিল জাতীয়তাবাদ। তাকে ভুলে গেলে আমরা গণতন্ত্র ভুলে যাব, দেশপ্রেম অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি চাটুকারিতা বা মোসাহেবি পছন্দ করতেন না। সমালোচনার মধ্য দিয়েই ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ২৬ মার্চের ভাষণ আমি শুনিনি, তবে ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমানের ভাষণ রেডিওতে শুনেছি। ২৮ মার্চ তার আহ্বানে আমি আমার এলাকায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি আত্মরক্ষার কথা বলেননি, বরং সারা জাতিকে যুদ্ধে অংশ নিয়ে বর্বর বাহিনীকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার আহ্বান জানিয়েছেন। আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।

স্পিকারের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, আপনি জিয়াউর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন, একসঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। বৈষম্য, বঞ্চনা, গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তির জন্যই আমরা যুদ্ধ করেছিলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্যাংকে চাকরির টাকায় সংসার চালানো কি হালাল, যা বললেন আহমাদুল্লাহ

প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করব, কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়: সংসদে গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৭:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, তবে তা স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়—বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে। তিনি দাবি করেন, যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ঐতিহাসিকভাবেও ভিন্ন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমার সামনে যারা বসে আছেন, তারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না। ১৯৪৭ সালের আন্দোলনে তারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন না, বরং অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক ব্রিটিশ আমল থেকে, আমাদের নয়। আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করব, তবে তা স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়—সমমর্যাদার ভিত্তিতে।

রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, জন্ম হোক যথাতথা, কর্ম হোক ভালো। সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেছেন। তার বক্তব্যে বাস্তবতার প্রতিফলন রয়েছে এবং তিনি অতীতকে আঁকড়ে ধরে বর্তমানকে অস্বীকার করেননি। বর্তমানকে মেনে নেওয়ার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।

গয়েশ্বর আরও বলেন, আমার দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যার মূল ভিত্তি ছিল জাতীয়তাবাদ। তাকে ভুলে গেলে আমরা গণতন্ত্র ভুলে যাব, দেশপ্রেম অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি চাটুকারিতা বা মোসাহেবি পছন্দ করতেন না। সমালোচনার মধ্য দিয়েই ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ২৬ মার্চের ভাষণ আমি শুনিনি, তবে ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমানের ভাষণ রেডিওতে শুনেছি। ২৮ মার্চ তার আহ্বানে আমি আমার এলাকায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি আত্মরক্ষার কথা বলেননি, বরং সারা জাতিকে যুদ্ধে অংশ নিয়ে বর্বর বাহিনীকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার আহ্বান জানিয়েছেন। আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।

স্পিকারের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, আপনি জিয়াউর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন, একসঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। বৈষম্য, বঞ্চনা, গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তির জন্যই আমরা যুদ্ধ করেছিলাম।