ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তারা কার্ডের বড়াই করে, ইরান তো কিছু কার্ড ব্যবহারই করেনি: গালিবাফ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হাতে থাকা কার্ড নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রকে।

গালিবাফ এক্স-এ একটি নতুন ‘ফর্মুলা’ পোস্ট করেছেন। এতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুদ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, ‘তারা কার্ডের বড়াই করছে, তাহলে দেখা যাক, সরবরাহ কার্ড=চাহিদা কার্ড।’

এরপর তিনি তার ফর্মুলা তুলে ধরেন। এতে দুটি দিক আছে। একটি ইরানের, আরেকটি যুক্তরাষ্ট্রের।

ইরানের দিকে আছে তিনটি বিষয়। তিনি সবকিছু আদ্যক্ষর দিয়ে উল্লেখ করেছেন, সেখানে আছে- হরমুজ প্রণালি, এরপর বাব আল-মান্দেব প্রণালি, আর তৃতীয়টি হলো তেলের পাইপলাইন। গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ‘আংশিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।’ বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও তেলের পাইপলাইন এখনো ‘ব্যবহার করা হয়নি।’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে গালিবাফ উল্লেখ করেছেন কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ছাড়ার কথা, যা ইতিমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চাহিদা কমানোর বিষয়টি ‘আংশিকভাবে ঘটেছে’ এবং দাম আরও বাড়বে, এই কার্ড এখনও ব্যবহার করা হয়নি বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এই ফর্মুলায় গালিবাফ আমেরিকার সাধারণ মানুষকে সরাসরি সতর্ক করেছেন। তিনি ‘গ্রীষ্মের ছুটি’র প্রসঙ্গ টেনেছেন। গ্রীষ্মকালে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল বন্ধ থাকে। তখন মানুষ বেশি ভ্রমণ করে এবং বাড়িতে ঠান্ডা রাখার জন্য বেশি জ্বালানি খরচ হয়। ফলে তেলের চাহিদা বাড়ে। এই সময় দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সোমবার শান্তি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ২.১৬ ডলার বা ২.০৫ শতাংশ বেড়ে ১০৭.৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বেড়েছে ১.৭৭ ডলার বা ১.৮৮ শতাংশ, ব্যারেলপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৯৬.১৭ ডলারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তারা কার্ডের বড়াই করে, ইরান তো কিছু কার্ড ব্যবহারই করেনি: গালিবাফ

আপডেট সময় ১১:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হাতে থাকা কার্ড নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রকে।

গালিবাফ এক্স-এ একটি নতুন ‘ফর্মুলা’ পোস্ট করেছেন। এতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুদ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, ‘তারা কার্ডের বড়াই করছে, তাহলে দেখা যাক, সরবরাহ কার্ড=চাহিদা কার্ড।’

এরপর তিনি তার ফর্মুলা তুলে ধরেন। এতে দুটি দিক আছে। একটি ইরানের, আরেকটি যুক্তরাষ্ট্রের।

ইরানের দিকে আছে তিনটি বিষয়। তিনি সবকিছু আদ্যক্ষর দিয়ে উল্লেখ করেছেন, সেখানে আছে- হরমুজ প্রণালি, এরপর বাব আল-মান্দেব প্রণালি, আর তৃতীয়টি হলো তেলের পাইপলাইন। গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ‘আংশিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।’ বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও তেলের পাইপলাইন এখনো ‘ব্যবহার করা হয়নি।’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে গালিবাফ উল্লেখ করেছেন কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ছাড়ার কথা, যা ইতিমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চাহিদা কমানোর বিষয়টি ‘আংশিকভাবে ঘটেছে’ এবং দাম আরও বাড়বে, এই কার্ড এখনও ব্যবহার করা হয়নি বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এই ফর্মুলায় গালিবাফ আমেরিকার সাধারণ মানুষকে সরাসরি সতর্ক করেছেন। তিনি ‘গ্রীষ্মের ছুটি’র প্রসঙ্গ টেনেছেন। গ্রীষ্মকালে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল বন্ধ থাকে। তখন মানুষ বেশি ভ্রমণ করে এবং বাড়িতে ঠান্ডা রাখার জন্য বেশি জ্বালানি খরচ হয়। ফলে তেলের চাহিদা বাড়ে। এই সময় দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সোমবার শান্তি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ২.১৬ ডলার বা ২.০৫ শতাংশ বেড়ে ১০৭.৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বেড়েছে ১.৭৭ ডলার বা ১.৮৮ শতাংশ, ব্যারেলপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৯৬.১৭ ডলারে।