আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে হত্যার ঘটনায় তদন্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছেন আদালত। হত্যার পর কীভাবে লিমনের লাশ পলিথিনের ট্র্যাশ ব্যাগে ভরে ফেলে আসা হয়েছে, আদালতের নথিতে তার বিবরণ উঠে এসেছে। অভিযুক্ত আবু গারবিয়েহ অনলাইনে হত্যার ব্যবহৃত সরঞ্জাম কেনেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেন।
ফ্লোরিডার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফক্স থার্টিন নিউজ জানায়, বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চলাকালে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস স্থানীয় একটি জলাশয় থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে তা বৃষ্টির কিনা, সেটি নিশ্চিত করা হয়নি। চিকিৎসকরা শনাক্তের কাজ করছেন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক হিশামের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বাসায়ই দুজনকে হত্যা করা হয়। গত শুক্রবার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
আদালতের নথির বরাত দিয়ে টেম্পা বে টোয়েন্টিএইট জানায়, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেখা গেছে, হিশাম আবু গারবিয়েহ ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে লিমন ও বৃষ্টিকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। এর পর তিনি বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করেন এবং আগে থেকে কিনে রাখা বড় কালো আবর্জনা ফেলার পলিব্যাগে লিমনের মরদেহ ভরে ফেলেন। পরে এটি ব্রিজের উত্তর পাশে ফেলে আসা হয়।
আদালতের নথিতে বলা হয়, নিহত দুজনের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ট্র্যাশ কম্প্যাক্টরে ফেলে দেন আবু গারবিয়েহ। সেখানে যে রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে, তাতে বৃষ্টি ও লিমন দুজনের উপস্থিতির বিষয়েই নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা।
লোকেশন ট্র্যাক করে লিমন ও বৃষ্টির মোবাইল ফোনের কাছাকাছি এবং লিমনের মরদেহ ফেলে আসার স্থানে হিশামের ফোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি ওই ফোনের মাধ্যমেই তিনি অনলাইনে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম কিনেছেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















