ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হত্যার সরঞ্জাম কেনেন অনলাইনে, গুমের উপায় খোঁজেন চ্যাটজিপিটিতে

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে হত্যার ঘটনায় তদন্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছেন আদালত। হত্যার পর কীভাবে লিমনের লাশ পলিথিনের ট্র্যাশ ব্যাগে ভরে ফেলে আসা হয়েছে, আদালতের নথিতে তার বিবরণ উঠে এসেছে। অভিযুক্ত আবু গারবিয়েহ অনলাইনে হত্যার ব্যবহৃত সরঞ্জাম কেনেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেন।

ফ্লোরিডার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফক্স থার্টিন নিউজ জানায়, বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চলাকালে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস স্থানীয় একটি জলাশয় থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে তা বৃষ্টির কিনা, সেটি নিশ্চিত করা হয়নি। চিকিৎসকরা শনাক্তের কাজ করছেন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক হিশামের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বাসায়ই দুজনকে হত্যা করা হয়। গত শুক্রবার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নথির বরাত দিয়ে টেম্পা বে টোয়েন্টিএইট জানায়, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেখা গেছে, হিশাম আবু গারবিয়েহ ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে লিমন ও বৃষ্টিকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। এর পর তিনি বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করেন এবং আগে থেকে কিনে রাখা বড় কালো আবর্জনা ফেলার পলিব্যাগে লিমনের মরদেহ ভরে ফেলেন। পরে এটি ব্রিজের উত্তর পাশে ফেলে আসা হয়।

আদালতের নথিতে বলা হয়, নিহত দুজনের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ট্র্যাশ কম্প্যাক্টরে ফেলে দেন আবু গারবিয়েহ। সেখানে যে রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে, তাতে বৃষ্টি ও লিমন দুজনের উপস্থিতির বিষয়েই নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা।

লোকেশন ট্র্যাক করে লিমন ও বৃষ্টির মোবাইল ফোনের কাছাকাছি এবং লিমনের মরদেহ ফেলে আসার স্থানে হিশামের ফোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি ওই ফোনের মাধ্যমেই তিনি অনলাইনে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম কিনেছেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হত্যার সরঞ্জাম কেনেন অনলাইনে, গুমের উপায় খোঁজেন চ্যাটজিপিটিতে

আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে হত্যার ঘটনায় তদন্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছেন আদালত। হত্যার পর কীভাবে লিমনের লাশ পলিথিনের ট্র্যাশ ব্যাগে ভরে ফেলে আসা হয়েছে, আদালতের নথিতে তার বিবরণ উঠে এসেছে। অভিযুক্ত আবু গারবিয়েহ অনলাইনে হত্যার ব্যবহৃত সরঞ্জাম কেনেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেন।

ফ্লোরিডার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফক্স থার্টিন নিউজ জানায়, বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চলাকালে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস স্থানীয় একটি জলাশয় থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে তা বৃষ্টির কিনা, সেটি নিশ্চিত করা হয়নি। চিকিৎসকরা শনাক্তের কাজ করছেন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক হিশামের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বাসায়ই দুজনকে হত্যা করা হয়। গত শুক্রবার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নথির বরাত দিয়ে টেম্পা বে টোয়েন্টিএইট জানায়, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেখা গেছে, হিশাম আবু গারবিয়েহ ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে লিমন ও বৃষ্টিকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। এর পর তিনি বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করেন এবং আগে থেকে কিনে রাখা বড় কালো আবর্জনা ফেলার পলিব্যাগে লিমনের মরদেহ ভরে ফেলেন। পরে এটি ব্রিজের উত্তর পাশে ফেলে আসা হয়।

আদালতের নথিতে বলা হয়, নিহত দুজনের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ট্র্যাশ কম্প্যাক্টরে ফেলে দেন আবু গারবিয়েহ। সেখানে যে রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে, তাতে বৃষ্টি ও লিমন দুজনের উপস্থিতির বিষয়েই নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা।

লোকেশন ট্র্যাক করে লিমন ও বৃষ্টির মোবাইল ফোনের কাছাকাছি এবং লিমনের মরদেহ ফেলে আসার স্থানে হিশামের ফোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি ওই ফোনের মাধ্যমেই তিনি অনলাইনে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম কিনেছেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।