ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন একজন নারী কর্মকর্তা। তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার মেয়াদ শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে।

সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর প্রধান হবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের জায়গায় দায়িত্ব নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জুলাই মাস থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান পেতে যাচ্ছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস কয়েলের নিয়োগকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজ অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভবিষ্যতে যারা সেখানে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি বড় অনুপ্রেরণা এটি।’

৫৫ বছর বয়সী কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বেশ কয়েকটি ঊর্ধ্বতন কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্লেস বলেন, ‘তিনিই হবেন সেনাবাহিনীর যেকোনো সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম নারী।’

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) নারীদের সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের পদগুলোতে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের সার্বিক অংশগ্রহণের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

কয়েলের এই নিয়োগ এমন এক সময়ে হলো, যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী তাদের র‍্যাংকে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। দেশটি ধারাবাহিকভাবে যৌন হয়রানি এবং বৈষম্যের অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ১২:০০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন একজন নারী কর্মকর্তা। তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার মেয়াদ শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে।

সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর প্রধান হবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের জায়গায় দায়িত্ব নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জুলাই মাস থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান পেতে যাচ্ছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস কয়েলের নিয়োগকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজ অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভবিষ্যতে যারা সেখানে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি বড় অনুপ্রেরণা এটি।’

৫৫ বছর বয়সী কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বেশ কয়েকটি ঊর্ধ্বতন কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্লেস বলেন, ‘তিনিই হবেন সেনাবাহিনীর যেকোনো সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম নারী।’

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) নারীদের সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের পদগুলোতে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের সার্বিক অংশগ্রহণের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

কয়েলের এই নিয়োগ এমন এক সময়ে হলো, যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী তাদের র‍্যাংকে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। দেশটি ধারাবাহিকভাবে যৌন হয়রানি এবং বৈষম্যের অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছে।