ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন একজন নারী কর্মকর্তা। তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার মেয়াদ শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে।

সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর প্রধান হবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের জায়গায় দায়িত্ব নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জুলাই মাস থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান পেতে যাচ্ছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস কয়েলের নিয়োগকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজ অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভবিষ্যতে যারা সেখানে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি বড় অনুপ্রেরণা এটি।’

৫৫ বছর বয়সী কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বেশ কয়েকটি ঊর্ধ্বতন কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্লেস বলেন, ‘তিনিই হবেন সেনাবাহিনীর যেকোনো সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম নারী।’

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) নারীদের সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের পদগুলোতে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের সার্বিক অংশগ্রহণের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

কয়েলের এই নিয়োগ এমন এক সময়ে হলো, যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী তাদের র‍্যাংকে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। দেশটি ধারাবাহিকভাবে যৌন হয়রানি এবং বৈষম্যের অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ১২:০০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন একজন নারী কর্মকর্তা। তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার মেয়াদ শুরু হবে আগামী জুলাই থেকে।

সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর প্রধান হবেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের জায়গায় দায়িত্ব নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জুলাই মাস থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান পেতে যাচ্ছি।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস কয়েলের নিয়োগকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজ অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভবিষ্যতে যারা সেখানে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি বড় অনুপ্রেরণা এটি।’

৫৫ বছর বয়সী কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বেশ কয়েকটি ঊর্ধ্বতন কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্লেস বলেন, ‘তিনিই হবেন সেনাবাহিনীর যেকোনো সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম নারী।’

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) নারীদের সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের পদগুলোতে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের সার্বিক অংশগ্রহণের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

কয়েলের এই নিয়োগ এমন এক সময়ে হলো, যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী তাদের র‍্যাংকে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। দেশটি ধারাবাহিকভাবে যৌন হয়রানি এবং বৈষম্যের অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছে।