ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৯ শতাংশে নেমে যেতে পারে, জরুরি সংস্কার প্রয়োজন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। টানা তিন বছর ধরে প্রবৃদ্ধির গতি ধীর। দারিদ্র্য বাড়ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট ও রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা রয়েছে। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এই পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। এসব সম্মিলিত দুর্বলতার কারণে চলতি অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপ) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ নামে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই বাস্তবতা এবং প্রবৃদ্ধির পূর্বভাস তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি আজ বুধবার সংস্থার ঢাকা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা, বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম, বেসাকররি খাত বিশেষজ্ঞ ম্যাগুয়ে দিয়া প্রমুখ।

প্রতিবেদেন বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি ভর্তুকি বৃদ্ধির কারণে রাজস্ব ব্যয়ের ওপর চাপ এবং আমদানির উচ্চ ব্যয়, রপ্তানি হ্রাস ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্য দুর্বল হওয়া। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কম থাকা, কঠোর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতের কারণে দীর্ঘস্থায়ী ধাক্কা সামলানোর এবং সাধারণ মানুষের (বিশেষ করে অতি দরিদ্রদের) ওপর এর প্রভাব কমানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের সীমিত।

অবশ্য, বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত জাতীয় নির্বাচনের পর টেকসই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কাঠামোগত সংস্কারে দ্রুত অগ্রগতি একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে। প্রতিবেদনে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে, রাজস্ব আয় বাড়াতে, আর্থিক খাত শক্তিশালী করতে এবং ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ উন্নত করতে জরুরি নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে থাকতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৯ শতাংশে নেমে যেতে পারে, জরুরি সংস্কার প্রয়োজন

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। টানা তিন বছর ধরে প্রবৃদ্ধির গতি ধীর। দারিদ্র্য বাড়ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট ও রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা রয়েছে। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এই পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। এসব সম্মিলিত দুর্বলতার কারণে চলতি অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপ) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ নামে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই বাস্তবতা এবং প্রবৃদ্ধির পূর্বভাস তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি আজ বুধবার সংস্থার ঢাকা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা, বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম, বেসাকররি খাত বিশেষজ্ঞ ম্যাগুয়ে দিয়া প্রমুখ।

প্রতিবেদেন বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি ভর্তুকি বৃদ্ধির কারণে রাজস্ব ব্যয়ের ওপর চাপ এবং আমদানির উচ্চ ব্যয়, রপ্তানি হ্রাস ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্য দুর্বল হওয়া। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কম থাকা, কঠোর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতের কারণে দীর্ঘস্থায়ী ধাক্কা সামলানোর এবং সাধারণ মানুষের (বিশেষ করে অতি দরিদ্রদের) ওপর এর প্রভাব কমানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের সীমিত।

অবশ্য, বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত জাতীয় নির্বাচনের পর টেকসই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কাঠামোগত সংস্কারে দ্রুত অগ্রগতি একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে। প্রতিবেদনে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে, রাজস্ব আয় বাড়াতে, আর্থিক খাত শক্তিশালী করতে এবং ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ উন্নত করতে জরুরি নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে থাকতে পারে।